1. babuibasa@gmail.com : editor :
  2. rokunkutubdia@gmail.com : reporter :
  3. rokunkutubdia@yahoo.com : Rokiot Ullah : Rokiot Ullah
  4. rokiotullah@gmail.com : Rokiot Ullah : Rokiot Ullah
বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১, ১২:৩৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শেরপুরে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মানবাধিকার কর্মী মনিরের মৃত্যু শেরপুরে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ঘুমধুম পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারি রোহিঙ্গা আটক কুতুবদিয়ায় ঘূর্ণিঝড় ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্ত ৪৯০ পরিবারে অর্থ সহায়তা প্রদান উখিয়ার লম্বাশিয়া ক্যাম্পের রোহিঙ্গা ইউনুস ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ রামুতে আটক পেকুয়ায় ইউপি সদস্য আবুল কাশেমের বিবৃতি শাপলাপুরের গহীন পাহাড়ে মহেশখালী থানা পুলিশের অভিযান ২ টি অস্ত্র উদ্ধার,আটক ১ উখিয়ায় পেটের ভেতরের ৩ হাজার পিস ইয়াবাসহ বগুড়ার সুজন প্রামাণিক আটক! উখিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ হতাহত-৬ নকলার লাভলু ভাত না খেয়েও অতিবাহিত করলো ২১ বছর

বাবাকে হারানো নিয়ে স্ট্যাটাস

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২১
  • ৮৫ জন সংবাদটি পড়েছেন

এম ভি কফিল বিন আমির

আজ আব্বা আমাদের মাঝে নেই!
আজ আব্বার ১৪ মত মৃত্যুবার্ষিকী!
আজ আব্বা ছাড়া আমাদের ১৪ মত বছর!
আব্বা চলে যাওয়ার পর,
শিখেছি অনেক বাস্তবতা,দেখেছি অনেক নিষ্ঠুরতা।

মানুষকে আল্লাহ অফুরন্ত নিয়ামত দান করেছেন।
সেই অসাধারণ সুন্দর নিয়ামতের একটি সন্তানের জন্য তার মা-বাবা। বাবা সন্তানের মাথার ওপর যার স্নেহচ্ছায়া বটবৃক্ষের মতো, সন্তানের ভালোর জন্য জীবনের প্রায় সবকিছুই নির্দ্বিধায় ত্যাগ করতে হয় তাঁকে, আদর-শাসন আর বিশ্বস্ততার জায়গা হলো বাবা। বাবার তুলনা বাবাই। যার কল্যাণে এই পৃথিবীর রূপ, রং ও আলোর দর্শন। বাবা শাশ্বত, চির আপন, চিরন্তন। বাবাকেই আদর্শ মনে করে সন্তানেরা। বাবা সন্তানকে শেখান কীভাবে মাথা উঁচু করে পৃথিবীতে টিকে থাকতে হয়।

‘আমার আব্বা’-এই দুটি শব্দের মধ্যে নিহিত আছে বাবার জন্য আমার বলা না-বলা যত আবেগ, ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, গর্ব; তাঁকে হারানোর কষ্ট আর অশ্রু। আব্বু আমাদের কাউকে কিছু না বলে, কাউকে কিছু করার কোনো সুযোগ না দিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন। আর কখনো আব্বার সঙ্গে দেখা হবে না, কথা হবে না এটি আমার কাছে দুঃস্বপ্নের মতো মনে হয়।

জীবন বহমান। সকল হারানো কিংবা শোক-তাপের ঊর্ধ্বেও জীবন স্বীয় গতিতে চলবে। এটাই চিরন্তন সত্য। স্মৃতি শুধুই স্মৃতি। কিছু স্মৃতি বড়ই বেদনাদায়ক। কিন্তু স্মৃতিকে যেমন ভুলে থাকা যায় না, তেমনি অস্বীকারও করা যায় না। আমি জানি, আমি আমার বাবাকে কতটা ভালোবাসি। কিন্তু আজ আমার সেই ভালোবাসা আমি কাকে প্রদর্শন করব? কাকে আমি সেই প্রিয় ‘আব্বা’ বলে ডাকব? আমার ভাগ্যবিড়ম্বিত এই আক্ষেপ অন্তরের। এই জ্বালা কি কোনো দিন নিভবে?

আহ! দেখতে দেখতে আর হোচঠ খেতে খেতে
আজ ১৪ বছর পার করে ফেলেছি,
আমি আব্বাহীন অসহায়।
আব্বা তোমার মতো আমাকে
আপন করে আর কেউ ভালোবাসে না।
আব্বার মতো মমত্ব নিয়ে কেউ তো আর এল না এ জীবনে।
কেউ আর আব্বুর মতো নিঃস্বার্থ ভালোবাসে না।
সবার ভালোবাসার ভণিতার মাঝে স্বার্থ কাজ করে।
সবাই ভালোবাসার অভিনয় করে বিনিময়ে কিছু নিতে চায়।
কিন্তু বাবা, তুমিত তো কিছুই নিতে চাও নি, শুধু দিতে চাইতে।
পৃথিবীতে এমন কোনো ভাষা নেই, এমন কোনো সাহিত্য নেই, যা দিয়ে আমার মনের এ ক্ষতকে প্রকাশ করতে পারব।
এমন কোনো সান্ত্বনার বাণী নেই, যা শুনিয়ে আমার বুকের মাঝে পাথরচাপা কষ্টগুলোকে কমানো যাবে।
আমার আব্বা নেই। আমার বটবৃক্ষ নেই।
যে আমার জন্ম থেকে তার শীতল ছায়া দিয়ে বড় করেছে।
এখন গ্রীষ্মের দাবদাহে আমার গা পুড়ে ছারখার হলেও।
কেউ আর বটবৃক্ষের ছায়া নিয়ে আমার পাশে দাঁড়াবে না।
কেউ না। হয়ত আমি সূর্যের তেজে মোমের মতো গলে গলে নিঃশেষ হয়ে যাব ধীরে ধীরে।

আমার আব্বা ছিল একজন ভালো ও নীতি–আদর্শবান ছিলেন।
তিনি ছিলেন বললে ভুল হবে, তিনি এখনো আমাদের সঙ্গে প্রতিমুহূর্তে থাকেন, এটা আমার অনুভব, আমার বিশ্বাস। আমার জন্ম ও শিক্ষাজীবনের প্রথম দিন থেকে শেষ দিন পর্যন্ত। চলার পথে, কি পারিবারিক জীবন ক্ষেত্রে, কি পেশা/চাকরি জীবন ক্ষেত্রে, আব্বা আমার, তার মেধা, প্রজ্ঞা, অভিজ্ঞতা দিয়ে আমাকে তাঁর প্রশস্তবুকে আগলে রেখেছিলেন। এখন কোনো বিপদে দিশেহারা হয়ে পড়ি। অভিভাবকহীনতার কষ্টে ভুগি। এখন কেউ বলার নেই, থাম, আমি দেখছি, আল্লাহর ওপর ভরসা রাখ, সব ঠিক হয়ে যাবে, নিজে ভালো তো জগৎ ভালো- নিজে ভালো থাকলে, ঠিক থাকলে, সবই ভালো থাকে বা হয়। মাথায় স্নেহের হাত বোলানোর কেউ নেই। আব্বা থাকতে মনে হতো না আমি বড় হয়েছি, মনে হতো এখনো ছোট আছি। এখন মনে হয় বয়স হয়েছে, নিজেরই বড় বড় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আব্বু হারানোর ব্যথা বা আব্বুহীন জীবনের কষ্ট ভয়ানক। যে বাবা হারায়নি, সে এই ব্যথা বুঝবে না। আমার আব্বা অনেক সময় আমাকে বলতেন, তুমি খুব আবেগপ্রবণ, বাস্তববাদী না, ঠিক সময় ঠিক কাজ করতে পারি না, যার কারণে অনেক সময় অনেক সমস্যায় পরেছি।
এখন আব্বার কথা গুলার প্রমাণ পাচ্ছি!

আব্বা আমাদের জন্য তাঁর আদর্শ রেখে গেছেন। না, আদর্শ মানে গালভরা কিছু নয়। সামান্য নিয়েও সততার শক্তিতে আর ভালোবাসায় কীভাবে সবকিছু কানায় কানায় ভরিয়ে রাখা যায়, এ শিক্ষা তো দিয়ে গেছেন। ছোট্ট একটা জীবন আনন্দময় করার জন্য সততার চেয়ে বড় আদর্শ আর কী হতে পারে।

আব্বা! আজ তুমি নেই,
আজ তুমি ছাড়া আমি যে কী অসহায়,
তা বুঝতে ভুল হয় না একটিবারও।
তুমি ছিলে আমার প্রাণ আর আমিও ছিলাম।আল্লাহ,
আমার আব্বার সব পাপ মাফ করে দিও!
কবরের আজাব মাফ হঠায় দিও,তার রুহের শান্তি দিও,
হে খোদা তুমি আব্বাকে জান্নাতবাসী করিও।
আর’ বাবা”
তোমার বড় ছেলে আমান ভাই কখনো কিন্তু হাল ছেড়ে দেননি।

‘হে আমার রব!
তাঁদের প্রতি দয়া করো!
যেভাবে শৈশবে আব্বারা আমাদের প্রতিপালন করেছিলেন।’
#এম ভি কফিল বিন আমির

আপনি সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ চট্টগ্রাম টুডে কর্তৃক সর্বসত্ব সংরক্ষিত।
Theme Customized By BreakingNews
error: Content is protected !!