1. babuibasa@gmail.com : editor :
  2. news24nazrul@gmail.com : Nazrul Islam : Nazrul Islam
  3. rokunkutubdia@gmail.com : reporter :
  4. rokunkutubdia@yahoo.com : Rokiot Ullah : Rokiot Ullah
বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০২:২০ অপরাহ্ন

কালারমার ছড়ার ছারা থেকে বালু উত্তোলন প্রসংঙ্গে ব্যাখ্যা

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ১৬ জন সংবাদটি পড়েছেন

 

নিজস প্রতিবেদক,

 

মহেশখালীর কালারমারছড়ার আঁধারঘোনা মিজ্জির পাড়ার সীমান্তের ছারা থেকে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি ও পরিবেশ ধ্বংস করে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে সেটা সম্পর্কে ব্যাখ্যা দিয়েছেন অভিযোগ কারীরা। তারা জানান, ছারার ঢল থেকে বালি এসে নিজ মালিকাধীন খতিয়ান ভূক্ত কৃষি জমি,পানের বরজ, ঘরবাড়িসহ নষ্ট হচ্ছে। তাই তারা এগুলো রক্ষ করার জন্য বালু সরিয়ে তাদের ঘরবাড়ি কৃষিজমি পানের বরজ রক্ষ করছি অন্যদিকে বালু গুলো বিভিন্ন স্থানীয় রাস্তাঘাট,মসজিদ,কবরস্থানে ব্যবহার করছি।
জমির মালিক আকতার হোছাইন বলেন, আমার নিজ দখলীয় জমিতে বর্ষাকালে ছারার পানিতে করে বালি এসে আমার জমি নষ্ট হয়ে যায়; এখন আমি কোন চাষাবাদ করতে পারছি না ৷ সেজন্যে বালি গুলো অপসারণ করে জমি পরিষ্কার করে চাষাবাদের উপযুক্ত করার জন্য স্থানীয় তোফায়েল সহ কয়েকজন কে দায়িত্ব দিয়েছি।

তোফায়েল বলেন, জমিটি খাস নয়, বিএস মালিকদের থেকে আমরা আগামী একবছরের জন্য লাগিয়ত/ভাড়া নিয়েছি ৷ বর্ষাকালে ছারার পাড় ভেঙ্গে জমিতে বলি উঠছে ৷ চাষাবাদের স্বার্থে সে বালিগুলো আমরা অপসারণ করছি৷ বালি মাটিগুলো রাস্তা, কবরস্থান ভরাট করে কিছু বিক্রি করে আমাদের খরচ তুলতেছি৷ জমিটি বিএস খতিয়ান মালিক ভোক্ত, আমরা তাদের থেকে অগ্রিম লাগিয়ত/ভাড়া নিয়ে বালি উত্তোলন করছি ৷

পঙ্গু সানাউল্লাহ বলেন, আমি একজন পঙ্গু ব্যক্তি। কাজ করার কোন সামার্থ নেই তবে এখন এ আমার কোন অর্থ নেই ৷ আমার দুটি পুরাতন সিএনজি গাড়ি আছে এ হচ্ছে আমার আয়ের পথ ৷ আমি আগে খারাপ ছিলাম; কিন্তু আমি এখন ভাল হওয়ার চেষ্টা করছি ৷
উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাস্টার রুহুল আমিন জানান, বিগত বর্ষা মৌসুমের ছারা থেকে প্রচুর বালি উত্তোলন করার কারণে বাঁধ ভেঙ্গে গিয়ে অনেক ফসলী জমি নষ্ট হয়। আমরা কয়েক জনের উদ্যোগে ছারার বাঁধ রক্ষা ও মানুষেরে কৃষি জমি ও ঘরবাড়ি রক্ষার জন্য মেরামত করতে এমপি সাহেবের এক লক্ষ টাকার বরাদ্ধের সাথে ভূমি মালিকরা আরো এক লক্ষ টাকা মোট দু‘লক্ষ টাকা খরচ করে বাঁধ রক্ষা করে। এখন ছারা থেকে কিছু বালি খতিয়ান ভূক্ত কৃষিজমিতে আসলে সেগুলো অপসারণ করতেছে বলে শুনিছি।

এ বিষয়ে মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহাফুজুর রহমান বলেন, বালু উত্তোলন সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনি সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ চট্টগ্রাম টুডে কর্তৃক সর্বসত্ব সংরক্ষিত।
Theme Customized By BreakingNews
error: Content is protected !!