1. babuibasa@gmail.com : editor :
  2. rokunkutubdia@gmail.com : reporter :
  3. rokunkutubdia@yahoo.com : Rokiot Ullah : Rokiot Ullah
শনিবার, ১৫ মে ২০২১, ০৫:৪৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুতুবদিয়ায় ছাত্রদলের উদ্যোগে খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল ও ইফতার বিতরণ কুতুবদিয়ায় আলাউদ্দিন আল আজাদের ইফতার মাহফিল সম্পন্ন উখিয়ায় ৭ হাজার পিচ ইয়াবাসহ বয়োবৃদ্ধ মহিলা আটক ঈদ উপহার বিতরণ করলো স্বপ্নছোঁয়া ফাউন্ডেশন ধলঘাটা প্রকাশ: ১২ মে, ২০২১ আল-আকসা মসজিদে ইসরাইলী বাহিনীর বর্বরোচিত হামলার নিন্দা জানিয়েছেন আল্লামা আনাস মাদানী ৪ হাজার টাকা ৬০জন হত-দরিদ্র ও প্রতিবন্ধী নারী-পুরুষকে নগত অর্থ সহায়তা দিলেন ফারহানা আহমেদ তামান্না । মহিমান্বিত রাত আজ কুতুবদিয়ায় অসহায় পরিবারের মাঝে তারেক রহমানের ইদ উপহার বিতরণ কুতুবদিয়ায় খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় বিএনপি‘র দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত আল-আকসায় ইসরাইলি হামলায় আহত বেড়ে ২০৫

মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দরে ভিড়ল তৃতীয় বিদেশি জাহাজ “এমবি গ্রান্ড টাজিমা ওয়ান”

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৬৭ জন সংবাদটি পড়েছেন

মহেশখালী প্রতিনিধি।

দেশের সর্ববৃহৎ গভীর সমুদ্রবন্দর মাতারবাড়িতে ভিড়ল ইন্দোনেশিয়ার পানামা পতকাবাহী জাহাজ “এমবি গ্রান্ড টাজিমা ওয়ান”।

আজ সোমবার ১৮ই জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১১টায় মাতারবাড়ি কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পের মালামাল নিয়ে কোলপাওয়ারের অস্থায়ী জেটিতে পৌঁছে। এনিয়ে তৃতীয় বিদেশি জাহাজ হিসাবে পৌঁছল এমবি গ্রান্ড টাজিমা ওয়ান”।

এর আগে গত ২৯ ডিসেম্বর মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১০টার পর পানামার পতাকাবাহী ‘ভেনাস ট্রায়াম্ফ’ নামের প্রথম জাহাজ ভিড়ে। এরপর ৫ জানুয়ারি দ্বিতীয় জাহাজ এই চ্যানেল ব্যবহার করে কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণ সামগ্রী নিয়ে আসে। সর্বশেষ আজ কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মাণ সামগ্রী মালামম নিয়ে আসে ইন্দোনেশিয়ার পানামার পতকাবাহী জাহাজ এমবি গ্রান্ড টাজিমা ওয়ান”।

কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানীর নির্বাহী পরিচালক আবুল কালাম বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমা মাতারবাড়ী পর্যন্ত বিস্তৃত। তাই পোর্ট অফ কল ধরা হবে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে। মাতারবাড়ি সমুদ্র বন্দরে মালামাল নিয়ে প্রাথমিক ভাবে পরিক্ষামূলক ভাবে কোন ধরনের ঝুঁকি ছাড়াই জাহাজ গুলো ভিড়তেছে। আগামী ২০২৫ সালে পূর্ণভাবে বন্দর চালু হবে।

প্রসঙ্গতঃ মাতারবাড়িতে গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা। এই প্রকল্পে ১২ হাজার ৮৯২ কোটি ৭৬ লাখ টাকা ঋণ দিচ্ছে জাপান। বাকি অর্থের মধ্যে সরকার দিচ্ছে ২ হাজার ৬৭১ কোটি ১৫ লাখ টাকা, পাশাপাশি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ দিচ্ছে ২ হাজার ২১৩ কোটি ২৪ লাখ টাকা। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে নেওয়া প্রকল্পটি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগ যৌথভাবে বাস্তবায়ন করছে। এর সব নকশা জাপানি বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে হচ্ছে।

আপনি সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ চট্টগ্রাম টুডে কর্তৃক সর্বসত্ব সংরক্ষিত।
Theme Customized By BreakingNews
error: Content is protected !!