1. balaram.cox@gmail.com : balaram das : balaram das
  2. babuibasa@gmail.com : editor :
  3. news24nazrul@gmail.com : Nazrul Islam : Nazrul Islam
  4. Ktirabbi@gmail.com : Kazi Tahmid : Kazi Tahmid
  5. rokunkutubdia@gmail.com : reporter :
  6. rokunkutubdia@yahoo.com : Rokiot Ullah : Rokiot Ullah
  7. mnajmolhodasakib@gmail.com : najmol sakib : najmol sakib
শনিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২১, ০৩:০০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সুস্থ রাজনীতি এবং বঙ্গবন্ধু চর্চা -বদরুল ইসলাম বাদল ঘুমধুমের তুমব্রুতে বিজয় দিবস ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের ফাইনালে রাসেদ-রায়হান জুটি চ্যাম্পিয়ন শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছে কক্সবাজার জেলা ছাত্রদল’ ঘুমধুম সীমান্তে বিজিবি-ইয়াবাকারবারি বন্দুকযুদ্ধে নিহত-১ গ্যাস সিলিন্ডারে নিহতের পরিবারে রাতে জেলা প্রশাসকের সহয়তা পৌঁছে দিলেন ইউএনও গ্যাস সিলিন্ডারে নিহতের পরিবারে রাতে জেলা প্রশাসকের সহয়তা পৌঁছে দিলেন ইউএনও উখিয়ার পালংখালীতে উম্মুক্ত ওয়ার্ড সভা অনুষ্ঠিত পালংখালী ইউপির ১ ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী হেলাল উদ্দিনের দোয়া ও সমর্থন কামনা প্রবাসে ভিজিটে আসা ব্যক্তির উদ্দ্যেশ্য সোহেল আরমানের নির্দেশক বার্তা কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কে লাশের মিছিল বাড়ছে উখিয়ার মোটরসাইকেল আরোহী মিশেল আর নেই

ফের সক্রিয় সাজ্জাদ বাহিনীর ক্যাডাররা

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৪৪ জন সংবাদটি পড়েছেন

চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃচট্টগ্রাম নগরীর এক সময়ের মূর্তিয়মান আতঙ্ক দুর্ধর্ষ শিবির ক্যাডার সাজ্জাদ খান। চাঁদাবাজি আর অস্ত্রের ঝনঝনানিতে কেঁপেছে পুরো নগরী। বহদ্দারহাটে ছাত্রলীগের ৮ খুনের ঘটনায় আতঁকে উঠেছে পুরো দেশ। গ্রেফতার আর কারাভোগেও স্বস্তি ছিলো না জনমনে। কারা অভ্যন্তরে থেকে চালিয়েছে চাঁদাবাজি, অস্ত্র ব্যবসা। আইনের ফাঁক-ফোঁকড় দিয়ে জামিন নিয়ে পালিয়ে দেশও ছেড়েছে। কিন্তু চট্টগ্রামে রয়ে যায় তার গড়ে তোলা ৬ টি সিন্ডিকেটের বিশাল বাহিনী। সাজ্জাদের নির্দেশনায় থেমে নেই সাজ্জাদের গড়ে তুলা বাহিনী কতৃক অস্ত্র ব্যবসা আর চাঁদাবাজি।

শিবির ক্যাডার সাজ্জাদ, সরোয়ার, ম্যাকসন বাহিনীর ত্রাসের রাজত্বে চট্টগ্রামে আবার কারা কারা সক্রিয় হয়ে উঠেছে- চট্টগ্রামের আলোচিত বহদ্দারহাট এইট মার্ডার হত্যার আসামী শিবির ক্যাডার সাজ্জাদ ও সরওয়ার, ম্যাকসনের দুই বিশ্বস্ত সহযোগী যুবলীগ নামধরী রাজু হত্যা মামলার আসামী সন্ত্রাসী ইখতিয়ার আহমেদ জহির ও তাসফিয়া হত্যা মামলার আসামি ইকরাম নামের দুই যুবক সাজ্জাদ, সরওয়ার ও ম্যাকসনের নিয়ন্ত্রণে সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে কাজ করা অবিশিষ্ট ৬ জনের নিয়ন্ত্রণে ৫টি গ্রুপে রয়েছে প্রায় ৩০ জন। এরা সাধারণত থার্ড লেভেল থেকে ৫ ধরনের কাজ করে। বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের মোবাইল নাম্বার ও পরিবারের সদস্যদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা। এসব বিষয়ে সেকেন্ড লেভেলকে অর্থাৎ জহির,ইকরামের সেকেন্ড ইন কমান্ডদের অবহিত করে পরবর্তী নির্দেশনা নেয়া। নির্দেশনা অনুযায়ী চাঁদার দাবিতে ব্যবসায়ীকে ফোন করে হুমকি দেয়া। হালকা অস্ত্র মজুদ ও ব্যবহার করা এবং চাঁদার টাকা গ্রহন করে সেকেন্ড লেভেলকে পৌঁছে দেয়া।

এদের সবার সাথে সাজ্জাদ সরোয়ারের সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রের দাবি। এই ৬ জনের রয়েছে আরও ৫টি সিন্ডিকেটে অন্তত ৩০ জন কিশোর। প্রতি সিন্ডিকেট বা গ্রুপে রয়েছে ৫-৭ জন করে সদস্য। যারা হালকা অস্ত্র রক্ষনাবেক্ষন, ব্যবহার ও মাঠ পর্যায়ে কাজ করলেও এই সিন্ডিকেট লিডার ‘সাজ্জাদ, সরোয়ারের সেকেন্ড ইন কমান্ড জহির, ইকরামের হেফাজতে রয়েছে ভারী অস্ত্র ভান্ডার।নগরীতে এই দুই যুবক জহির ও ইকরাম চাদাবাজির সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন সমানতালে, বেশ কিছুদিন আগে চট্টগ্রাম ছেড়ে বিদেশে পাড়ি জামান এই দুই যুবক। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ দুবাই, ওমান, কাতার ও ইন্ডিয়াতে ভ্রমন করে করেই সাজ্জাদ-সরওয়ার ও ম্যাকসনের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে দেশে থাকা অনুসারীদের দিয়ে চাঁদাবাজি করে যাচ্ছেন তারা।

দেশে থাকা তাদের ৩টি গ্রুপের সদস্যরা মুরাদপুর, বিবিরহাট ও নয়ারহাট কয়লারঘর এলাকা থেকে বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে এবং তাদের পারিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেয়। পরে ওই নাম্বারগুলো জহির ও ইকরামকে দিলে তারা বিদেশ থেকে ফোন করে ওই ব্যবাসয়ীদের কাছে চাঁদাদাবি করে বিভিন্ন হুমকি-ধমকি দেয়। এরপর বিষয়টি দেশে থাকা তাদের সিন্ডিকেটের ওই সদস্যদের জানালে তারা আবার ওই ব্যবসায়ীদের ফোন করে চাঁদা বুঝিয়ে দিতে বলে।

শুধু জহির-ইকরাম নয়, আলোচিত তাসফিয়া হত্যা মামলার আরেক আসামি কিশোর গ্যাং লিডার ফিরোজ নামে এক কথিত যুবলীগের নামধারী নেতাও প্রত্যোক্ষ এবং পরোক্ষভাবে জড়িত আছে এই চাঁদাবাজিতে জানা যায়, গ্যাং লিডার ফিরোজ স্থানীয় কিছু যুবক ও ছাত্রদের দিয়ে উপরোল্লিখিত স্থানের কেউ নতুন বাড়ি করলে বাড়ির মালিকদের নাম্বার, সংগ্রহ করা ও মুরাদপুর, বিবিরহাট এবং নয়ারহাট (কয়লারঘর) এলাকা কিছু ব্যবসায়ী রিকন্ডিশন (ব্যবহৃত) গাড়ির যন্ত্রাংশ সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে এনে বাংলাদেশে পাইকারি এবং খুচরা বিক্রয় করে। সরওয়ার ও সাজ্জাদ তাদের অনুশারিদের দিয়ে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতি মাসে বিভিন্ন পন্থায় প্রায় ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা নিচ্ছে। আর চাঁদার এসব টাকা সংগ্রহ করছে জহির, ইকরামের ৩টি গ্র গ্রুপের সদস্যরা মুরাদপুর, বিবিরহাট ও নয়ারহাট কয়লারঘর এলাকা থেকে বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে এবং তাদের পারিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেয়। পরে ওই নাম্বারগুলো জহির,ও ইকরামকে দিলে তারা বিদেশ থেকে ফোন করে ওই ব্যবাসয়ীদের কাছে চাঁদাদাবি করে বিভিন্ন হুমকি-ধমকি দেয়। এরপর জহির ও ইকরাম বিষয়টি দেশে থাকা তাদের সিন্ডিকেটের ওই সদস্যদের জানালে তারা আবার ওই ব্যবসায়ীদের ফোন করে চাঁদা বুঝিয়ে দিতে বলে।

দেশে থেকে যারা চাঁদা আদায় করছে: বাবুল, হাসান, গিট্টু মানিক, এনাম, আ: কাদের সুজন, পারভেজ, আকতার, জাবেদ, মিজান, ইয়াছিন, আরিফ, রাসেল, রুবেল, রায়হান, জসিম উদ্দিন রানা, গিট্টু নোমান, মহিউদ্দিন, ইকবাল, মোরশেদ ও শাহজাহান।

এদের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে পুলিশের হাতে ডাকাতি, অস্ত্র, চাঁদাবাজি ও মাদক মামলায় গ্রেফতার হয়ে কয়েকজন কারাগারে থাকলেও এখনও সক্রিয় আছে অন্তত ২০জন। এরা নয়ারহাট, চালিতাতলী, ওয়াজেদিয়া, কয়লারঘর, অক্সিজেন, আতুরার ডিপো, জাঙ্গালপাড়া, হাজিপাড়া, হাজিরপুল এলাকার স্থানীয় সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত। এদের নাম বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে এসেছে।

চাঁদাবাজির পাশাপাশি মুরাদপুর, হামজারবাগ, আতুরারডিপু ও অক্সিজেনের হকার,টেম্পু টমটম, সিএনজি স্ট্যান্ড থেকে থেকে প্রতিদিন উপার্জন করছে লক্ষ লক্ষ টাকা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কিছু যুবক জানায়, মহানগরীর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাভেক মেয়র আ,জ,ম নাছির উদ্দীনের ছত্রছায়ায় রাজনৈতিক ব্যানার ব্যবহার করে তার এই চাঁদাবাজি পৌছেছে তুঙ্গে।

আপনি সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ চট্টগ্রাম টুডে কর্তৃক সর্বসত্ব সংরক্ষিত।
Theme Customized By BreakingNews
error: Content is protected !!