1. balaram.cox@gmail.com : balaram das : balaram das
  2. babuibasa@gmail.com : editor :
  3. news24nazrul@gmail.com : Nazrul Islam : Nazrul Islam
  4. Ktirabbi@gmail.com : Kazi Tahmid : Kazi Tahmid
  5. rokunkutubdia@gmail.com : reporter :
  6. rokunkutubdia@yahoo.com : Rokiot Ullah : Rokiot Ullah
  7. mnajmolhodasakib@gmail.com : najmol sakib : najmol sakib
শনিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২১, ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
গ্যাস সিলিন্ডারে নিহতের পরিবারে রাতে জেলা প্রশাসকের সহয়তা পৌঁছে দিলেন ইউএনও গ্যাস সিলিন্ডারে নিহতের পরিবারে রাতে জেলা প্রশাসকের সহয়তা পৌঁছে দিলেন ইউএনও উখিয়ার পালংখালীতে উম্মুক্ত ওয়ার্ড সভা অনুষ্ঠিত পালংখালী ইউপির ১ ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী হেলাল উদ্দিনের দোয়া ও সমর্থন কামনা প্রবাসে ভিজিটে আসা ব্যক্তির উদ্দ্যেশ্য সোহেল আরমানের নির্দেশক বার্তা কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কে লাশের মিছিল বাড়ছে উখিয়ার মোটরসাইকেল আরোহী মিশেল আর নেই ঘুমধুমে পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র পুলিশের অভিযানঃচকরিয়ার রাসেল ইয়াবাসহ আটক কক্সবাজার জমির বিরোধে মা-মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা!.. অনুমতি ছাড়া ইউরোবাংলা টিভি’র নাম ও লোগো ব্যবহারের প্রেক্ষিতে প্রতিবাদ চবিতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮৫ তম জন্মদিন উদযাপন

কুতুবদিয়ায় মাঠে উৎপাদিত লবণের মুল্য নিয়ে চাষীদের চরম হতাশা

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৫০ জন সংবাদটি পড়েছেন

কুতুবদিয়া প্রতিনিধি:
কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া উপজেলাকে লবণ উৎপাদনের প্রাকৃতিক আতুড়ঘর বলা চলে। কিন্তু সেই উৎপাদিত লবণের নায্যমূল্যের অভাবে কুতুবদিয়ার লবণচাষী থেকে শুরু করে লবণমাঠের জমিদারেরা পর্যন্ত হতাশ। অবান্তর গল্প না শুনে সর্বপ্রথম আমাদের জানতে হবে লবণচাষীরা লবণের নায্যমূল্য না পাওয়ার কারণ কী!

বর্তমান যুগ হলো বিশ্বায়নের যুগ, পুঁজিবাদী অর্থনীতি, মুক্তবাজার অর্থনীতির জোয়ারে আমরা ভাসছি নিত্যদিন। বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সীমানা প্রাচীর সেই ৯০ দশক থেকে উঠে গেছে। সেই সুযোগে বাইরের দেশের পণ্য আমাদের দেশের বাজার দখল করে রেখেছে। অপরদিকে, আমাদের উৎপাদিত পণ্য বিদেশি পণ্যের সাথে প্রতিযোগিতায় নেমেছে। এহেন পুর্ণপ্রতিযোগিতামূলক বাজারের ধাক্কায় মার খাচ্ছে দেশি পণ্য, কমে যাচ্ছে দাম। আর লবণ হলো তেমনি আন্তর্জাতিক একটি পণ্য।

একদিকে দেশে খাওয়ার লবণ আমদানি প্রশ্নবিদ্ধ অপরদিকে বাজারে চাহিদা অতিরিক্ত। ফলে মৌসুম শুরুর আগে লবণের দামও ছিলো চড়া। হঠাৎ করেই শিল্প খাতে লবণ আমদানি ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। পক্ষান্তরে বাজারে সুপ্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্টানগুলোর  কাছাকাছি নকশা, রং ও নামের মোড়কে লবণ বিক্রি বাড়ছে। দেশের লবণ পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলো বলছে, শিল্পের নামে খাবার লবণ আমদানি করে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। এই লবণ আসছে সরাসরি পরিশোধিত অবস্থায়। এতে অসাধু ব্যবসায়ীরা দেশে পরিশোধনের ব্যবস্থা ছাড়াই শিল্পকারখানার নামে লবণ এনে প্যাকেটজাত করে বাজারে বিক্রি করতে পারছেন। তাঁদের আয়োডিনও মেশাতে হচ্ছে না। এতে এক দিকে সরকার বিপুল অঙ্কের রাজস্ব হারাচ্ছে, অন্যদিকে চাষিরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। মার্কেটে সুপরিচিত ব্র্যান্ডগুলো এই বিদেশি লবণের কাছে টিকতে পারছে না। কারণ, বিদেশি লবণে খুচরা ব্যবসায়ীদের লাভ অনেক বেশি দেওয়া হচ্ছে। আবার এসব লবণের দামও কম।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য অনুযায়ী, শিল্প ও খাওয়ার মিলিয়ে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে দেশে লবণ আমদানি হয়েছিল ৫ লাখ ৬৬ হাজার টন। পরের বছর তা বেড়ে ১০ লাখ ৯০ হাজার টনে উন্নীত হয়। যদিও এর মধ্যে আমদানির অনুমতি দেওয়া আড়াই লাখ টন লবণ রয়েছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ১৪ লাখ ৪০ হাজার টন লবণ আমদানি হয়েছে। এর মধ্যে ৪ লাখ ৮০ হাজার টন আমদানির অনুমতি পাওয়া। উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে ৫ লাখ টনের অনুমতি দেওয়া হলেও দেশে এসেছিল ৪ লাখ ৮০ হাজার টন। এর আগে ২০১৫ সালে ১ লাখ টন আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। মোট আমদানি থেকে অনুমতি পাওয়া পরিমাণটুকু বাদ দিলে বাকিটা শিল্প খাতের লবণ হওয়ার কথা। দেখা যায়, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে শিল্প খাতে ৪ লাখ ৬৬ হাজার টন লবণ এসেছিল। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে তা বেড়ে ৯ লাখ ৬০ হাজার টনে উন্নীত হয়। এর বড় অংশ খাওয়ার লবণ, যা শিল্প লবণ নামে আমদানি করে বাজারে ছাড়া হয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, অসাধু ব্যবসায়ীরা শিল্প লবণের আড়ালে দেদারসে সোডিয়াম সালফেট মিশ্রিত লবণ এনে ভোজ্য হিসেবে বাজারজাত করায় এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে এসিআই, মোল্লা, পূবালী, এস আলম সহ অনেক কোম্পানি শিল্প লবণ আমদানি করতেছে। আর আমাদের উৎপাদিত লবণ শিল্প না। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) কক্সবাজার লবণ প্রকল্প কার্যালয় সূত্র মতে, ২০১৯-২০ মৌসুমে লবণের চাহিদা ধরা হয়েছে ১৮ লাখ ৪৯ হাজার মে.টন। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৮ লাখ ৫০ হাজার মে.টন। কক্সবাজার জেলায় উৎপাদনযোগ্য লবণ জমির পরিমাণ ৬০ হাজার ৫৯৬ একর। জেলায় লবণ মিলের সংখ্যা প্রায় ৮০টি। প্রতি মণ লবণের দাম বাজারমূল্য ১৯২ টাকা। যা কেজিতে পড়েছে প্রায় ৪ টাকা। উৎপাদনে খরচ হয় প্রায় সাড়ে ৬ টাকা।

লবণের দাম বাড়ানোর জন্য সোস্যাল মিড়িয়া, মানববন্ধন এবং বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় লিখালিখি হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ফলে বছরের পর বছর ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন দ্বীপ উপজেলার প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ লবণচাষীরা। ফলে লবণচাষীদের নিত্যদিনের হতাশার চিত্র দেখে আফসোস করা ব্যাতিত কিছু করার থাকে না।

উপজেলার কয়েকজন লবণ চাষীদের সাথে সরেজমিনে গিয়ে কথা বলে জানা গেছে, তাদের মাঠে উৎপাদিত লবণের প্রতি কেজির দাম পড়ে মাত্র ৪ টাকা। অথচ শহরাঞ্চলীয় প্যাকেটজাত লবণের মূল্য যেখানে ২০-৪০ টাকার মধ্যে। এই সমস্যার সমাধানে তারা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চান বলে জানিয়েছেন।

আপনি সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ চট্টগ্রাম টুডে কর্তৃক সর্বসত্ব সংরক্ষিত।
Theme Customized By BreakingNews
error: Content is protected !!