1. balaram.cox@gmail.com : balaram das : balaram das
  2. babuibasa@gmail.com : editor :
  3. news24nazrul@gmail.com : Nazrul Islam : Nazrul Islam
  4. Ktirabbi@gmail.com : Kazi Tahmid : Kazi Tahmid
  5. rokunkutubdia@gmail.com : reporter :
  6. rokunkutubdia@yahoo.com : Rokiot Ullah : Rokiot Ullah
  7. mnajmolhodasakib@gmail.com : najmol sakib : najmol sakib
শনিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২১, ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
গ্যাস সিলিন্ডারে নিহতের পরিবারে রাতে জেলা প্রশাসকের সহয়তা পৌঁছে দিলেন ইউএনও গ্যাস সিলিন্ডারে নিহতের পরিবারে রাতে জেলা প্রশাসকের সহয়তা পৌঁছে দিলেন ইউএনও উখিয়ার পালংখালীতে উম্মুক্ত ওয়ার্ড সভা অনুষ্ঠিত পালংখালী ইউপির ১ ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী হেলাল উদ্দিনের দোয়া ও সমর্থন কামনা প্রবাসে ভিজিটে আসা ব্যক্তির উদ্দ্যেশ্য সোহেল আরমানের নির্দেশক বার্তা কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কে লাশের মিছিল বাড়ছে উখিয়ার মোটরসাইকেল আরোহী মিশেল আর নেই ঘুমধুমে পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র পুলিশের অভিযানঃচকরিয়ার রাসেল ইয়াবাসহ আটক কক্সবাজার জমির বিরোধে মা-মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা!.. অনুমতি ছাড়া ইউরোবাংলা টিভি’র নাম ও লোগো ব্যবহারের প্রেক্ষিতে প্রতিবাদ চবিতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮৫ তম জন্মদিন উদযাপন

মাহফিলের মঞ্চে না উঠে ফেরত গেলেন মামুনুল হক!

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২০
  • ২৭ জন সংবাদটি পড়েছেন

দিনভর উত্তেজনা ও নানা আলোচনার পর চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে বয়ান করতে পারেননি খেলাফত মজলিসের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক।

শুক্রবার সন্ধ্যায় হাটহাজারীর পার্বতী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ‘আল আমিন সংস্থা’ আয়োজিত বার্ষিক মাহফিলের অন্যতম বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল তার, শেষ পর্যন্ত মামুনুল হককে ছাড়াই মাহফিল শেষ হয়।

এদিন মাগরিবের নামাজের পর হেফাজতে ইসলামের আমীর আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী হাটহাজারী পার্বতী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এসে পৌঁছান।

এ সময় মাওলানা মামুনুল হকের কুশপুত্তলিকা দাহ করায় ক্ষোভ জানিয়ে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, ‘বোলার বাত ডিল ন মারিস’। ওস্তাতদেরকে বেইজ্জতি করলে মাদ্রাসার ছাত্ররা বসে থাকতে পারে না।

তিনি আরও জানান, আজকের মাহফিলে প্রধান বক্তা হিসেবে মাওলানা মামুনুল হক হাটহাজারী আসলেও প্রশাসনের অনুরোধে মাহফিলে বক্তব্য না দিয়েই ঢাকায় ফিরে গেছেন। যেখানে অশান্তি সেখানে আমরা নেই। না আসার পরও তার ছবিতে আগুন দেয়ার কারণ কী? একজন আলেমকে এভাবে অপমান করলে আল্লাহর আরশ কাঁপবে।

যদিও বৃহস্পতিবার রাতে তিনি সড়কপথে হাটহাজারী মাদ্রাসায় এসে অবস্থান নেয়া নিয়ে নানা গুঞ্জন উঠে।

শুক্রবার টানটান উত্তেজনার মধ্যে দিয়ে থেকে বন্দর নগরী চট্টগ্রাম ও হাটহাজারীতে ছাত্রলীগ-যুবলীগের শত শত নেতাকর্মীর অবস্থানে পাল্টে যেতে থাকে দৃশ্যপট।

ফলে বিকালের দিকে মামুনুল হক যে পথে এসেছিলেন সেই পথেই ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন বলে কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এসব তথ্যের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার আল-আমিন সংস্থা আয়োজিত তাফসিরুল কোরআন মাহফিলের সমাপনী দিবসে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন এমনটা জেনে মাওলানা মামুনুল হককে অবাঞ্চিত ঘোষণা করার পাশাপাশি তাকে প্রতিহত করার কথা জানান চট্টগ্রামের যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

এরই সূত্র ধরে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা নগরীর অক্সিজেন মোড়ে ও চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি-রাঙ্গামাটি মহাসড়কের বড়দীঘির পাড় এলাকায়, ফতেয়াবাদ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে যুবলীগের নেতাকর্মীরা এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ১নং গেইট এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করে ও সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে ও অগ্নিসংযোগ করার খবর পাওয়া গেছে।

জুমার নামাজের আগে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি-রাঙ্গামাটি মহাসড়কের ১নং গেইট চবি ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সড়ক অবরোধ করে ও সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে ও অগ্নিসংযোগ করে।

এতে ওই মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। নেতাকর্মীরা এ সময় সেখানে ‘রাজাকার যেখানে প্রতিরোধ সেখানে, মামুনুল হক যেখানে প্রতিরোধ সেখানে’, ‘মুক্তিযুদ্ধের হাতিয়ার গর্জে উঠুক আরেকবার’, ‘বীর চট্টলার মাটিতে মামুনুল হকের ঠাঁই নাই’, ‘তুমি কে আমি কে বাঙালি বাঙালি’, ‘আমাদের ধমনীতে শহীদের রক্ত’, ‘জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিতে দেখা গেছে।

খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মহাসড়ক থেকে তাদেরকে সরিয়ে দিলে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এ ব্যাপারে হাটহাজারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, কিছু ছেলে মহাসড়ক অবরোধ করেছিল। তাদেরকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। মিনিট দশেক পরে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এদিকে, মাহফিলকে কেন্দ্র করে যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াাতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছিল প্রশাসন।

শুক্রবার সকাল থেকে হাটহাজারী পৌরসভা ও এর আশপাশের এলাকায় পুলিশের ২৫টি টিমসহ বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সদস্য মোতায়েন ছিল। বর্তমানে হাটহাজারীতে এখনো পর্যন্ত পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে বলে জানা গেছে।

এছাড়া বিকাল ৩টায় হাটহাজারী উপজেলায় উগ্র সাম্প্রদায়িকতা ও মৌলবাদের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

সমাবেশে সংগঠনটির সভাপতি তানভির হোসেন চৌধুরী তপু, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রেজাউল করিম, হাটহাজারী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আরিফুর রহমান রাসেল, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হাসান, মিরসরাই উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক মাসুদ রানা, যুগ্ম আহবায়ক আরিফুর রহমান, একরামুল হক সোহেল, আজাদ রুবেল, মিটুন শর্মা, সীতাকু- উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সিহাব উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক রিয়াদ জিলানি, হাটহাজারী কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাকেরিয়া চৌধুরী সাগরসহ শত শত নেতাকর্মী অংশগ্রহন করে।
সমাবেশে শেষে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি-রাঙ্গামাটি মহাসড়কের বড়দিঘী পাড় এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে হাটহাজারী ফতেয়াবাদ কমিনিউটি সেন্টার সামনে এসে শেষ হয়।

তাছাড়া, হাটহাজারী উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের নেতাকর্মীরা ফতেয়াবাদ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে।

উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি আকতার হোসেন এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক নাজমুল হুদা মনির সঞ্চালনায় উক্ত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও হাটহাজারী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম রাশেদুল আলম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর যুবলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক শহিদুল আলম, সদস্য খোরশেদ আজিজ, উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বখতেয়ার সাইদ ইরান, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর তপু, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, উপজেলা যুবলীগের সহ সভাপতি মুছা লিটন, পৌরসভা যুবলীগের আহবায়ক সাইদুর রহমান খোকন, যুগ্ম আহবায়ক আইয়ুব খান লিটন, সুলতান মাসুদ, এম বেলাল উদ্দিন বিজয়, হারুন মিয়াজী, সুমন চৌধুরী, সঞ্জয় ঘোষ, আবুল হাশেম, মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, হাটহাজারী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আরিফুল রহমান রাসেল, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হাসান, হাটহাজারী কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক সাকেরিয়া চৌধুরী সাগর, মো. পারভেজ তালুকদার, মো. সাজ্জাদ হোসেন, এম এ রাসেল ও মো. নাঈম প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকার বিএমএ মিলনায়তনে ধোলাইর পাড়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য স্থাপনে বিরোধীতা করে বক্তব্য দিয়ে দেশব্যাপী আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেন মাওলানা মামুনুল হক।

আপনি সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ চট্টগ্রাম টুডে কর্তৃক সর্বসত্ব সংরক্ষিত।
Theme Customized By BreakingNews
error: Content is protected !!