1. babuibasa@gmail.com : editor :
  2. rokunkutubdia@gmail.com : reporter :
  3. rokunkutubdia@yahoo.com : Rokiot Ullah : Rokiot Ullah
শনিবার, ১৫ মে ২০২১, ০৫:০২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুতুবদিয়ায় ছাত্রদলের উদ্যোগে খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল ও ইফতার বিতরণ কুতুবদিয়ায় আলাউদ্দিন আল আজাদের ইফতার মাহফিল সম্পন্ন উখিয়ায় ৭ হাজার পিচ ইয়াবাসহ বয়োবৃদ্ধ মহিলা আটক ঈদ উপহার বিতরণ করলো স্বপ্নছোঁয়া ফাউন্ডেশন ধলঘাটা প্রকাশ: ১২ মে, ২০২১ আল-আকসা মসজিদে ইসরাইলী বাহিনীর বর্বরোচিত হামলার নিন্দা জানিয়েছেন আল্লামা আনাস মাদানী ৪ হাজার টাকা ৬০জন হত-দরিদ্র ও প্রতিবন্ধী নারী-পুরুষকে নগত অর্থ সহায়তা দিলেন ফারহানা আহমেদ তামান্না । মহিমান্বিত রাত আজ কুতুবদিয়ায় অসহায় পরিবারের মাঝে তারেক রহমানের ইদ উপহার বিতরণ কুতুবদিয়ায় খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় বিএনপি‘র দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত আল-আকসায় ইসরাইলি হামলায় আহত বেড়ে ২০৫

৯০ দশকের কারা নির্যাতিত ছাত্রলীগ নেতা ইয়াহিয়া খান কুতুবী দুঃসময়ে দলের হাল ছাড়েননি

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ৯ নভেম্বর, ২০২০
  • ৮৩ জন সংবাদটি পড়েছেন

 

নিজস্ব প্রতিবদেক,

স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের অগ্রসেনানী শহীদ দৌলতের অন্যতম সহযোগী কারা নির্যাতিত সাবেক ছাত্রনেতা মুজিব সেনা ঐক্য লীগের সাবেক কেন্দ্রিয় সাধারণ সম্পাদক ইয়াহিয়া খান কুতুবী দুঃসময়ে দলের হাল ছাড়েননি । স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী সর্বদলীয় মিছিল থেকে ১৯৮৭ সালের ৫ ডিসেম্বর চিরিঙ্গা থেকে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন দুলাল মার্কেটের সামনে থেকে চকরিয়া ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াহিয়া খান কুতুবী, দুলাল ও আবুল হাসেম। তাদের মুক্তির দাবিতে এডঃ আমজাদ হোসেন ও দৌলত খানের এর নেতৃত্বে উপজেলা ঘেরাও করতে গেলে চকরিয়ার তৎকালীন ওসি আবদুর রউপের নির্দেশে দারোগা রাম বাবু ব্যাপক গুলি চালে গুলিবিদ্ধ হন দৌলত খান। তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় মালুমঘাটা খৃস্টান মেমোরিয়াল হাসপাতালে নেওয়া হলে তিনি মৃত্যু বরণ করেন। ওই দিন ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। যাদের গ্রেপ্তার করা হয় তাদের দৌলত খান হত্যা মামলায় জড়িয়ে জেল হাজতে প্রেরণ করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি প্রয়াত এডঃ আমজাদ হোসেন ও মুজিব সেনা ঐক্যলীগের সাবেক কেন্দ্রিয় সাধারণ সম্পাদক ইয়াহিয়া খান কুতুবী। ওই মামলায় আইনী লড়াইয়ে লিপ্ত হন জেলা আওয়ামী লীগের তৎকালিন সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগের সাবেক কেন্দ্রিয় সদস্য মরহুম এডঃ জহিরুল ইসলাম। তিনি ১৯৮৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর গ্রেপ্তারকৃত ১৪ জনকে মুক্ত করেন আইনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। যাদের মুক্ত করতে জীবন দিয়েছেন দৌলত খান। তাদেরই অন্যতম হচ্ছেন ইয়াহিয়া খান কুতুবী।

যিনি এখনো জাতির জনকের স্বপ্ন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তৎসময়ে জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক ও সহ-সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন এই পরিশ্রমি ত্যাগী নেতা ইয়াহিয়া খান কুতুবী। গত ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে স্থানীয় আওয়ামী লীগ মনোনয়ন না দিলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মনোনয়ন দিয়েছিলেন। গত নির্বাচনে জামায়াত নেতা আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সিরাজদৌল্লাহর সন্ত্রাস ও ষড়যন্ত্রের কারণে পরাজিত হন। নির্বাচনের দিন জামায়াত শিবিরের ক্যাডার দের হামলায় গুরুতর আহত হন ইয়াহিয়া খান কুতুবীর ভাইসহ অন্তত ৩০ জন। যাদের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগীতা করেছেন আশেক উল্লাহ রফিক এমপি।
এত ষড়যন্ত্রের পরেও মাঠ ছেড়ে যাননি তিনি। এখনো কক্সবাজারে ও কেন্দ্রিয় ভাবেও বিভিন্ন কর্মসূচীতে অংশগ্রহন করে শেখ হাসিনার ভিশন বাস্তবায়নে কাজ করছেন।
কিন্তু গত ৫বছরে উত্তর ধুরুং ইউনিয়ন কুতুবদিয়ায় সবচেয়ে অবহেলিত ইউনিয়ন। উন্নয়নের কোন চিত্র দেখা যায় না। চারদিকে বেড়িবাঁধ বিহীন হাজার হাজার মানুষ প্রতি নিয়ত জোয়ারের পানির সাথে যুদ্ধ করে বেঁচে আছে। তার থেকে রক্ষ পেতে কুতুবদিয়ায় উত্তর ধুরুং ইউনিয়নের একমাত্র ভরসা ইয়াহিয়া খান কুতুবীর উপর। তাই তারা যেকোন মূল্য ইয়াহিয়া খান কুতুবীকে চেয়ারম্যান হিসাবে পেতে চাই। এদিকে বিশ্বস্তসূত্রে জানা গেছে কেন্দ্রীয় ভাবে আওয়ামীলীগ থেকে আসন্ন ইউপি নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন শতভাগ নিশ্চিত বলে জানা গেছে। উত্তর ধুরুং এর পয়জনির পাড়ার বাসিন্দা নাজেম উদ্দিম জানান এই এলাকায় অনেক চেয়ারম্যান আইছে আর গেছে, কেউ কথা দিয়ে কথা রাখে নি তাই এবার ইয়াহিয়ার উপরেই ভরসা সাধারণ মানুষের। অপরদিকে জামাতের শীর্ষ পর্যায়ের নেতা সাবেক সাংসদ হামিদুর রহমানের দুর্ধর্ষ ক্যাডার তৎকালীন শিবির নেতা বর্তমান হাইব্রীড আওয়ালীগ নেতা সাজিয়ে সিরাজ উদ্দোল্লা উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের কিছু আ’লীগ নেতার কালোটাকার জোরে নৌকা পেতে আবার তোড়ঝোড় করেছে।তা এলাকাবাসী কোনদিন ও মেনে নেয়নি এবং নেবেনা। ইয়াহিয়া খান কুতুবী রাজনীতির পাশাপাশি এলাকার উন্নয়নেও ব্যাপক ভুমিকা রেখেছেন। তিনি উন্নয়ন মুলক কাজ করেছেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। বর্তমানে তিনি উত্তর ধুরুং গাউছিয়া মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি জেলা পরিষদ ও এলজিইডির বরাদ্দ থেকে এলাকার উন্নয়নেও ব্যাপক কাজ করেছেন। সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক এর ধারাবাহিক উন্নয়ন কার্যক্রমে এলাকাকে অর্ন্তভুক্ত করেছেন। যা এখনো চলমান রয়েছে। ইয়াহিয়া খান কুতুবী কর্তৃক প্রতিষ্টিত ২৯ এপ্রিল স্মৃতি ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে ওই শোকাহত দিনকে শোক দিবস ঘোষণার দাবী জানিয়ে আসছে। কুতুবদিয়ায় স্থায়ী বেড়ীবাঁধ নির্মাণের জন্য তিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। তাই এবারের নির্বাচনে নৌকার মাঝি হয়ে চেয়ারম্যান পেতে চাই উত্তর ধুরুং বাসী।

আপনি সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ চট্টগ্রাম টুডে কর্তৃক সর্বসত্ব সংরক্ষিত।
Theme Customized By BreakingNews
error: Content is protected !!