1. babuibasa@gmail.com : editor :
  2. rokunkutubdia@gmail.com : reporter :
  3. rokunkutubdia@yahoo.com : Rokiot Ullah : Rokiot Ullah
  4. rokiotullah@gmail.com : Rokiot Ullah : Rokiot Ullah
বুধবার, ২৩ জুন ২০২১, ০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শাপলাপুরের গহীন পাহাড়ে মহেশখালী থানা পুলিশের অভিযান ২ টি অস্ত্র উদ্ধার,আটক ১ উখিয়ায় পেটের ভেতরের ৩ হাজার পিস ইয়াবাসহ বগুড়ার সুজন প্রামাণিক আটক! উখিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ হতাহত-৬ নকলার লাভলু ভাত না খেয়েও অতিবাহিত করলো ২১ বছর ঘুমধুম পুলিশে ত্রিশ লাখ টাকার তিনটি স্বর্ণের বার উদ্ধার,এক রোহিঙ্গা গ্রেফতার উখিয়ায় পাহাড় কর্তনকালে মাটিসহ ডাম্প ট্রাক মহেশখালীতে জেলা বিএনপি নেতা আতাউল্লাহ বোখারীর নেতৃত্বে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালিত উখিয়ায় বনবিভাগের অভিযানে বালু উত্তোলন কালে ড্রেজার মেশিনের সরঞ্জাম উদ্ধার মহেশখালী থেকে ইয়াবা সরবরাহ করতে গিয়ে নোয়াখালীতে এসে আটক হলেন -২ বান্দরবানে মসজিদের ইমাম হত্যার ঘটনায় শফি পুত্র শাইখুল হাদীস আনাস মাদানীর নিন্দা ও প্রতিবাদ

উখিয়ার কুতুপালংয়ে রোহিঙ্গা দু’সন্ত্রাসী গ্রুপের সংঘর্ষে ১২ আহত-আটক-৫

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২০
  • ১০১ জন সংবাদটি পড়েছেন

উখিয়া প্রতিনিধিঃকক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাঁদাবাজি, অপহরণ, ইয়াবা ও মাদক বাণিজ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আল-ইয়াকিন দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে আসছে। গত ৬ দিনের ঘটনায় অন্তত ১২ জন রোহিঙ্গা নারী, পুরুষ ও শিশু আহত হয়েছে।

প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসী গ্রুপের হাতে অপহরণের শিকার হয়েছে ১০ জন। তৎমধ্যে মুক্তিপণ দিয়ে ঘরে ফিরেছে ৬ জন। বাকিরা এখনও সন্ত্রাসীদের জিম্মি অবস্থায় রয়েছে। তারা জীবিত নাকি মৃত তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছে অপহৃত পরিবার। এ ঘটনার জের ধরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

পুলিশ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে রবিবার দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে ৫ রোহিঙ্গাকে আটক করছে। আটককৃতরা হলেন, কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মো: নুরুল ইসলামের ছেলে মো: আক্তার হোসেন (১৯), মো: রশিদের ছেলে মো: রফিক (২৪), মো: লেদু মিয়ার ছেলে শফিকুর রহমান (২৭), নুরুল আলমের ছেলে মো: নয়ন (২৮), মৃত মো: আজিজ উল্লাহর ছেলে মো: আমিন (৪০)। আটককৃত রেহিঙ্গাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলে উখিয়া থানা সূত্রে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে রোহিঙ্গাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, কুতুপালংয়ের লম্বাশিয়া ক্যাম্পের আল-ইয়াকিনের শীর্ষ নেতা মাস্টার মুন্নার নেতৃত্বাধীন একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপ গত ২৬ আগস্ট রাতে কুতুপালং ক্যাম্প টু ইস্ট থেকে সদ্য জেল ফেরত আরেক আল-ইয়াকিন নেতা মাষ্টার আবুল কালামকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। ৬ দিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও তার কোন সন্ধান পায়নি পরিবার। এ নিয়ে তার স্ত্রী নুর জাহান বেগম বাদি হয়ে উখিয়া থানায় ১১ জন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। যার নং মামলা নং ৪০ তারিখ ৩০/০৮/২০২০ ইং একই ঘটনার জের ধরে আরো ১০ রোহিঙ্গাকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় মুন্না গ্রুপ। তৎমধ্যে মুক্তিপণ দিয়ে সোমবার সকাল পর্যন্ত ফিরে এসেছে ৬জন। এরা হলো কুতুপালং রেজি: ক্যাম্পের বি ব্লকের রহমত উল্লাহ, ডি ব্লকের মৌলভী জিয়াবুর রহমান, ছৈয়দ আকবর, এফ ব্লকের আনিস উল্লাহ ও মো: এজাহার, জি ব্লকের মো: জসিম। বাকী ৪ জন এখনো তাদের হাতে জিম্মি অবস্থায় রয়েছে বলে তাদের পরিবার সূত্রে জানা গেছে। এ ঘটনার পর থেকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে থেমে থেমে বিচ্ছিন্ন ঘটনা অব্যহত রয়েছে।

আলী জহুর, জাহাংগীর আলম, মো: জকির সহ বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গা বলেন, গত ৬ দিন ধরে অপহরণ, চাঁদাবাজি, ইয়াবা ও মাদক বাণিজ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে রেজিষ্টার্ড ক্যাম্পের ই-ব্লকের মোহাম্মদ ফরিদ ও এফ ব্লকের নুর হাশিম, মাস্টার মুন্না এবং আনরেজিষ্টার্ড ক্যাম্পের আল-ইয়াকিন নেতা রফিক উদ্দিন, হাফেজ জাবেদ ও সাইফুলের মধ্যে অন্ত:কোন্দল সৃষ্টি হয়। এরপর থেকে ক্যাম্পের পরিবেশ অশান্ত হয়ে উঠেছে।

কুতুপালং আন-রেজিষ্টার্ড ক্যাম্পের মাঝি নুরুল বশর ঘটনার সত্যতার স্বীকার করে বলেন, গত কয়েক দিন ধরে দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে কয়েক দফা গুলি বর্ষনের ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে সাধারণ রোহিঙ্গাদের মাঝে ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। জীবনের নিরপত্তার কথা চিন্তা করে অনেকেই অন্য ক্যাম্পে আশ্রয় নিচ্ছে বলে তিনি জানান।

কুতুপালং রেজিস্টার্ড ক্যাম্প ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হাফেজ জালাল আহমদ জানান, লম্বাশিয়া ক্যাম্পের আল-ইয়াকিন শীর্ঘনেতা মাস্টার মুন্নার নেতৃত্বে ৪০/৫০ জনের একটি গ্রুপ প্রতিনিয়ত সাধারণ রোহিঙ্গাদেরকে জিম্মি করে চাঁদাবাজি, অপহরণ, হত্যা এবং ইয়াবা বাণিজ্য সহ নানান অপরাধ কর্মকান্ড করে যাচ্ছে। প্রতিবাদ করতে গিয়ে অনেক নিরহ রোহিঙ্গা মামলা হামলার শিকার হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, রবিবার সকালে মুন্না গ্রুপের সদস্যরা অতর্কিত হামলা চালিয়ে অন্তত ১২ জন রোহিঙ্গাকে আহত করেছে। প্রায় ২০ রোহিঙ্গা ঘর ভাংচুর করে লুটপাট চালিয়েছে।

ক্যাম্প ব্যবস্থাপনা কমিটির সাবেক সেক্রেটারি মো: ইউনুছ বলেন, মুন্না গ্রুপের সদস্যরা ২৬ তারিখের পর থেকে ব্যাপক তান্ডব চালায়। গত কয়দিনে ১০ রোহিঙ্গাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এরমধ্যে মুক্তিপণের টাকা দিয়ে ৬ জন ফেরত এসেছেন। বাকিদের এখন হদিস নেই।
উখিয়া থানার উপ-পরিদর্শক মো: মোবারক হোসেন বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দ্ইু গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ রবিবার রাতে অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে আটক করেছে। আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে কুতুপালং রেজি: ক্যাম্পে নিয়োজিত এপিবিএন এর পরিদর্শক মো: সালেহ আহমদ পাঠান বলেন, ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের মাঝে প্রতিনিয়ত বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটে থাকে। তবে ক্যাম্পের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের রয়েছে বলে তিনি জানান।

উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মর্জিনা আকতার এর ফোনে যোগাযোগ করা হলে রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।এ বিষয়ে কুতুপালং ক্যাম্প ইনচার্জ মো: খলিলুর রহমান খাঁন এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ছুটিতে থাকায় ঘটনার বিস্তারিত বলতে পারেনি। তবে খোঁজ খরব নিয়ে জানানো হবে বলে তিনি জানান।

আপনি সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ চট্টগ্রাম টুডে কর্তৃক সর্বসত্ব সংরক্ষিত।
Theme Customized By BreakingNews
error: Content is protected !!