1. balaram.cox@gmail.com : balaram das : balaram das
  2. babuibasa@gmail.com : editor :
  3. news24nazrul@gmail.com : Nazrul Islam : Nazrul Islam
  4. rokunkutubdia@gmail.com : reporter :
  5. rokunkutubdia@yahoo.com : Rokiot Ullah : Rokiot Ullah
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ কালারমারছড়ার নোনাছড়িতে ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী অপহরণের অভিযোগ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হলদিয়াপালং ইউনিয়ন শাখার দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল সম্পন্ন উখিয়ায় নতুন ইউএনও নিজাম উদ্দিন আহমেদ উখিয়ার মানুষ সহযোগিতা পরায়ণ বলেছেন সদ্য বিদায়ী ইউএনও নিকারুজ্জামান চৌধুরী উখিয়ায় র‍্যাবের অভিযানে ১৯৬০০ পিস ইয়াবাসহ আটক দুই রোহিঙ্গা রোহিঙ্গা সংকট এবং করোনা মোকাবিলায় ইউএনও নিকারুজ্জামান ছিলেন খাঁটি দেশপ্রেমিক-এমপি শাহীন রাজাপালং ইউপির ৯ নং ওয়ার্ডের উপ-নির্বাচনে একই পরিবারের মাতা-ছেলে-জামাতার মনোনয়ন নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ওসি মুহাম্মদ অালমগীর হোসেন জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত

পুঞ্জিভূত ভুল এবং একটি জনসমষ্টির অনিশ্চিত জীবন।

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২০
  • ৪৫ জন সংবাদটি পড়েছেন

 

বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) এর জন্মলগ্ন হতেই কাঠামোগত বৈষম্য বিরাজ করে আসছে। যার চূড়ান্ত নির্মম বাস্তবায়নে আজ এর অধীনে কর্মরত একশ্রেণির কর্মচারি ও বিআরডিবি’র কর্তৃক বাস্তবায়িত বিভিন্ন প্রকল্প/কর্মসূচি’র আপামর জনবলের জীবন পরিপূর্ণভাবেই অনিশ্চয়তার আস্তাকুঁড়ে নিমজ্জিত।
স্বাধীনতাপূর্ব বাংলাদেশে তৎকালীন একজন স্বনামধন্য সিএসপি ডঃ আখতার হামিদ খাঁন এর দ্বি-স্তর বিশিষ্ট সমবায় ব্যবস্থাপনার মূলভাব (Theme) নিয়ে একসময়ের আইআরডিপি এবং পরবর্তীতে যা বিআরডিবি নামে পরিচিত। সমবায় ব্যবস্থাপনার আলোকে কেন্দ্রীয় সমিতি হিসেবে রয়েছে দেশের প্রতিটি উপজেলায় স্ব-স্ব নিবন্ধনপ্রাপ্ত একেকটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান। যা পরিচালিতও হয় নির্বাচিত একটি কমিটি দ্বারা। কিন্তু মজার বিষয় হলো এসব প্রতিষ্ঠানের মূল চালিকাশক্তি বিআরডিবি’র হাতে। এ সকল কেন্দ্রীয় সমিতির মাত্র তিনটি পদ ব্যতীত বাঁকি পদগুলোর নিয়োগ নির্বাচিত ব্যবস্থাপনা কমিটি দ্বারা হলেও তাদের সার্বিক খবরদারি বিআরডিবি’র হাতে। ফলে দ্বৈত শাসনের যাঁতাকলে নিষ্পেষিত ঐ সকল কর্মচারি মাসের পর মাস বেতন ভাতা বিহীন এক অনিশ্চিত জীবনযাপন করছে।
একই ভাবে বিআরডিবি কর্তৃক বাস্তবায়িত বিভিন্ন সময়ে প্রয়োজন/অপ্রয়োজনে কখনো মন্ত্রণালয় হতে প্রকল্প এনে অথবা কখনো বিআরডিবি’র নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় কর্মসূচি প্রণয়ন করে গণহারে জনবল নিয়োগ দিয়েছে। নির্দিষ্ট মেয়াদের প্রকল্প/কর্মসূচি সমাপনান্তে ঐ সকল জনবলের মৌলিক স্বার্থগত বিষয়াদি বিবেচনায় না এনে কখনো প্রকল্পের নাম পরিবর্তন করে অন্য নাম ধারন, কখনো বিদ্যমান জনবলের পূর্ববর্তী অধিকার সংরক্ষণ না করে তা কর্মসূচি হিসেবে বাস্তবায়ন করে একধরণের স্বৈরতান্ত্রিক নিয়ম-নীতি চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। জাতীয় বেতনস্কেল পরিবর্তন করে নির্ধারণ করা হয়েছে সর্বসাকুল্য বেতন পদ্ধতি। কখনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি’তে ও নিয়োগপত্রে উদ্ধৃত গ্রেড অবনমিত করে নিম্ন গ্রেডে স্থানান্তর করা হয়েছে। শুধু তাই নয় প্রাপ্য বেতন ভাতার ক্ষেত্রেও চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে অভিনব এক “আয় থেকে দায় পদ্ধতি”। যেখানে নেই পর্যাপ্ত ঋণ তহবিলের ব্যবস্থা, নীতিমালা সমূহ পরিবর্তিত হতে হতে আজ তা জগাখিঁচুড়িতে পরিণত হয়েছে। বিআরডিবি প্রণীত বিভিন্ন নিয়ম-নীতি আজ একটির সাথে আরেকটি সাংঘর্ষিক। এসব দেখারও কেউ নেই আর ভূক্তভোগীদের দাঁড়ানোর কোনো জায়গা আজ নেই। রাষ্ট্রের আইনের দ্বারস্থ হয়ে আদালতে এর প্রতিকার চাইলেও আদালতে প্রদত্ত রায় বিআরডিবি কর্তৃক উপেক্ষিত হয়। বিআরডিবি যেনো সকল মানবিক নিয়ম-নীতির উর্দ্ধে।
বিআরডিবি’র আপামর কর্মচারিদের স্বার্থ সুরক্ষার জন্য এখানে রয়েছে শ্রম আইনে নিবন্ধনপ্রাপ্ত দু’টি ট্রেড ইউনিয়ন। এখানে নির্দিষ্ট মেয়াদান্তে সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে “যৌথ দর কষাকষি সংস্থা (Collective Bargain Agent) বা সিবিএ” মনোনীত হয়। দীর্ঘদিন নির্বাচন না হওয়ায় এবং সিবিএ প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠণ ‘বিআরডিবি কর্মচারি সংসদ, রেজিঃ নং- বি-১৯৯৩’ এর প্রতিনিধি নির্বাচনও যথাসময়ে অনুষ্ঠিত না করা আজ তা ঠুঁটোজগন্নাথে পরিণত হয়েছে।
বিগত বছরে এই সংগঠনের নেতৃত্বে প্রকল্প/কর্মসূচিভূক্ত কর্মচারিরা দীর্ঘ চার মাস নয় দিন যুগপৎ আন্দোলন করেছে। চূড়ান্ত পর্যায়ে এসে মন্ত্রণালয়, জাতীয় শ্রমিক লীগ ও সামগ্রিক স্বার্থ বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান বিআরডিবি প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে একটি সম্মানজনক প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে আন্দোলন স্থগিত হয়। কিন্তু বিআরডিবি’র ইত্যপূর্বে অবসর গ্রহণকারী মান্যবর মহাপরিচালক মহোদয় অত্যন্ত সুক্ষ চাতুর্যতার মাধ্যমে সে সকল প্রতিশ্রতি ভঙ্গ করে বিদায় নেন। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়- বিআরডিবি তার চিরাচরিত অভ্যাসে অসহায়, মানবেতর জীবনযাপনকারী প্রকল্প/কর্মসূচি’র জনবলকে বরাবরের মতো ধোঁকা দিবে এতো জানা কথা। কিন্তু যে সিবিএ’র আহ্বানে এতো লম্বা আন্দোলন সংঘটিত হলো, সেই সিবিএ-
১) প্রতিশ্রুত সময়ের মধ্যে কয়বার ডিজি মহোদয়ের সাথে অনুপ্রেরিত (Follow-up) বৈঠক করেছেন,
২) যদি বৈঠকে কোনো আশার লক্ষণ প্রতিফলিত না হয়ে থাকে, তাহলে কয়টা লিখিত দাবীনামা (Charter of Demand) দাখিল করেছেন,
৩) দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় সমাধান না হলে শ্রম আইন অনুযায়ী ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় সমঝোতার জন্যে শ্রম অধিদপ্তর বা শ্রম মন্ত্রণালয়ের দ্বারস্থ হয়েছেন কি-না, বা
৪) তাতেও সমাধান না হলে বঞ্চিত কর্মচারিদের স্বার্থ সুরক্ষায় শ্রম আদালতে কোনো মামলা করেছেন কি-না!!
এ সকল কোনো উদ্যোগই গ্রহণ না করা হলে সিবিএ কেনোই বা অহেতুক অসহায়াদের জীবন ও তাদের পরিবার-পরিজনের ভবিষ্যত নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে!!
আসলে মরার কোনো জাত নেই। তাই কর্মচারিদের একমাত্র আশ্রয়স্থল প্রতিনিধিত্বকারী সিবিএ’র বিজ্ঞ ও দক্ষ নেতৃবৃন্দের প্রতি উদাত্ত আহ্বান-
১) অনতি বিলম্বে কেন্দ্রীয় কমিটির সভা আহ্বান করুন,
২) সভার সিদ্ধান্তের আলোকে বিদ্যমান নৈরাজ্যবাদী কর্মকান্ড অবিলম্বে বন্ধ করে প্রকল্প/কর্মসূচি’র জনবলের স্বার্থরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বল্প মেয়াদের চরমপত্র (Ultimatum) দাখিল করুন,
৩) দাবী বাস্তবায়ন না হলে দ্রুত সদর দরজা সভা (Gate meeting) আহ্বান করে লাগাতার আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করুন, এবং
৪) মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির বৈধতা নিরসনে দ্রুত সকল পর্যায়ের নির্বাচন সম্পন্ন করুন।
আমাদের সকলেরই মনে রাখা উচিত বীরেরা কখনো দুইবার মরে না, তেমনই ইতিহাস কাউকেই ক্ষমা করে না। আজ না হয় কাল, এপার না হয় ওপারে, সকল অবহেলার- সকল চাতুর্যতার জবাবদিহি করতেই হবে।
সৃষ্টিকর্তা আমাদের সকলকে ক্ষমা করে দিন। আমীন।

আঃ রাজ্জাক রাজু,

মাঠ সংগঠক, পজীপ, বিআরডিবি ও

কেন্দ্রীয় নেতা, সিবিএ, বিআরডিবি।

আপনি সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ চট্টগ্রাম টুডে কর্তৃক সর্বসত্ব সংরক্ষিত।
Theme Customized By BreakingNews
error: Content is protected !!