1. balaram.cox@gmail.com : balaram das : balaram das
  2. babuibasa@gmail.com : editor :
  3. news24nazrul@gmail.com : Nazrul Islam : Nazrul Islam
  4. rokunkutubdia@gmail.com : reporter :
  5. rokunkutubdia@yahoo.com : Rokiot Ullah : Rokiot Ullah
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:১০ পূর্বাহ্ন

ওসি প্রদীপ পালানোর গুঞ্জন চারিদিকে ৯ জনের বিরুদ্ধে নিজ থানাতেই গ্রেফতারী পরোয়ানা

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২০
  • ৯ জন সংবাদটি পড়েছেন

 

ওসমান আল হুমাম, কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি।
সেনাবাহিনীর মেজর (অব:) সিনহা হত্যা মামলার আসামী টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাস পালিয়ে গেছে! তার কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। ওসি প্রদীপ কোথায় আছে সে ব্যাপারে কোন তথ্য কক্সবাজার পুলিশের কাছে নেই! ওসি প্রদীপ নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় খোদ পুলিশ প্রশাসনে তোলপাড় শুরু হয়েছে। নানা গুঞ্জন, গুজব ডালপালা ছড়াচ্ছে।
আদালতের নির্দেশে বুধবার (৫ আগস্ট) দিবাগত রাত সাড়ে ১০ টার দিকে টেকনাফ থানায় ওসি প্রদীপসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা রুজু করা হয়। মামলা নম্বর সিআর : ৯৪/২০২০ ইংরেজি (টেকনাফ)। দন্ডবিধি ৩০২, ২০১ ও ৩৪ জামিন অযোগ্য ধারায় মামলাটি নথিভুক্ত হওয়ায় সকল আসামীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে।

ওসি প্রদীপ অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে আগেভাগে ছুটি নিয়ে আত্মগোপনে গেলেও বাকি আসামীরা কক্সবাজার পুলিশ লাইনেই রয়েছে।
ওসি প্রদীপ পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেনি পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার গতকাল সকালে অসুস্থতাজনিত কারণ দেখিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করে থানা থেকে বের হয়ে যান।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি হিসেবে একি থানার ওসি (তদন্ত) এ.বি.এম.এস দোহা গত ৪ আগস্ট মঙ্গলবার সকাল থেকে একই থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি (অফিসার ইনচার্জ) হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ওসি প্রদীপ কুমার দাশ গত ৪ আগস্ট মঙ্গলবার নিজেকে অসুস্থ হিসাবে উল্লেখ করে ছুটির আবেদন করলে তার ছুটির আবেদন মঞ্জুর করে এ.বি.এম.এস দোহাকে ওসি হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ.বি.এম মাসুদ হোসেন বিপিএম (বার) এ তথ্য জানিয়েছেন।
২০১৮ সালে টেকনাফ থানায় যোগ দিয়েছিলেন প্রদীপ কুমার দাস। উপ-পরিদর্শক বা এসআই হিসেবে পুলিশে যোগ দেন ১৯৯৫ সালে।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার (৩১ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। এ ঘটনায় চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমানকে প্রধান করে একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জন ও নিরাপত্তা বিভাগ। একইভাবে তদন্তের স্বার্থে টেকনাফের বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ লিয়াকত আলিসহ ১৬ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

এখন সবার প্রশ্ন , ওসি প্রদীপ কুমার দাস অসুস্থতার ডায়েরি লিখে কোন হাসপাতালে ভর্তি না হয়ে আত্মগোপনে কেন? তার বিরুদ্ধে মামলা হবে এমন তথ্য কী আগেই জেনে গিয়েছিল ওসি খ্যাত প্রদীপ কুমার দাস?

আপনি সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ চট্টগ্রাম টুডে কর্তৃক সর্বসত্ব সংরক্ষিত।
Theme Customized By BreakingNews
error: Content is protected !!