1. balaram.cox@gmail.com : balaram das : balaram das
  2. babuibasa@gmail.com : editor :
  3. news24nazrul@gmail.com : Nazrul Islam : Nazrul Islam
  4. rokunkutubdia@gmail.com : reporter :
  5. rokunkutubdia@yahoo.com : Rokiot Ullah : Rokiot Ullah
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২০, ০৯:২১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
উখিয়া উপজেলার নতুন ইউএনও নিজাম উদ্দিন আহমেদ যোগদান করেছে আজ মহেশখালীর ঝাপুয়া স্মরণকালের বৃহত্তম জানাজা গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী (ভুট্টোর), চিরনিদ্রায় শায়িত মহেশখালীর ঝাপুয়া স্মরণকালের বৃহত্তম জানাজা গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী (ভুট্টোর), চিরনিদ্রায় শায়িত প্রিয় কুতুপালং বাসির প্রতি মেম্বার প্রার্থী হেলাল উদ্দিনের কৃতজ্ঞতা শিকার এবং আরজি উখিয়ায় সাংবাদিকদের সাথে ডিআইজির মতবিনিময় মাদকের বিরুদ্ধে জিরো ঘোষণা, শুরু হবে অভিযান স্থানীয় হতদরিদ্রদের জীবনমান উন্নয়ন ও ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য কাজ করে যাচ্ছে ইউনাইটেড পারপাস উখিয়া আওয়ামী লীগের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপন কুতুপালংয়ে স্বশস্ত্র রোহিঙ্গাদের চাঁদা দাবী, স্থানীয় বাড়ি,৭ সিএনজি ভাংচুর-লুটপাট,৮ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি ধর্ষকদের বিচারের দাবিতে নবঘোষিত হাটহাজারী উপজেলা, পৌরসভা ও কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ উখিয়া উপজেলা মহিলা আ’লীগের আয়োজনে দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন পালিত

কোরবানি ঈদের শুভেচ্ছা ও কোরবানির পর পশুর বর্জ্য অপসারণে সবাইকে সতর্কতা অবলম্বন করতে “হেল্প ফোর্স ব্যাচ” এর অনুরোধ

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২০
  • ৩৩ জন সংবাদটি পড়েছেন

 

নিজস্ব প্রতিবেদক(কুতুবদিয়া)

কুতুবদিয়া উপজেলা দক্ষিণ ধূরুং অন্তর্গত ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ ধূরুং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রদের মানবতার কল্যাণ প্রতিষ্টিত সংগঠন হেল্প ফোর্স ব্যাচ ২০২১ কর্মধারা ডেঙ্গু প্রতিরোধ,করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ কর্মসূচীর ধারাবাহিকতায় পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা ও কুরবানির পর পরিবেশ দূষন প্রতিরোধে জবাইকৃত পশুর বর্জ্য অপসারণে সবাইকে সর্তকতা অবলম্বন করার অনুরোধ করে।
উক্ত সংগঠন প্রদত্ত বর্ণিত কুরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ সতর্কতা থাকার বিষয়ে তাদের ব্রিফিংঃ
ঈদ সমাগত। নাড়ির টানে ছুটছে মানুষ। শহরে, বাজারে বসছে পশুর হাট। সবখানে উৎসবের আমেজ। লাখ লাখ পশু কোরবানির মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে সচেষ্ট ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। তবে কোরবানির পর বর্জ্য নিয়ে আমরা চিন্তা করি না। বর্জ্য যেখানে-সেখানে ফেলে রাখি। ফলে দেখা দেয় নানা সমস্যা।

কোরবানির হাটগুলোতেও থাকে অপরিচ্ছন্নতা। যেখানে-সেখানে পশুর মলমূত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায়। অনেকে মনে করেন, পশুর মল খুব ক্ষতিকর নয়। এটা ভুল ধারণা। পশুর মলে বিভিন্ন ধরনের জীবাণু থাকতে পারে। এগুলো থেকে হতে পারে পেটের পীড়া। তাই বাজারে গেলে সচেতন হবেন। পশু হাতে ধরার পর হাত না ধুয়েই অনেকে খাবার খান। এতে করে দেখা দিতে পারে পেটের পীড়া।

অসুস্থ পশু কিনবেন না। পশু কেনার সময় অসুস্থ কি না, তা নিশ্চিত হয়ে কিনুন। গবাদিপশু জ্বরে আক্রান্ত হলে, প্রাণী কাঁপতে থাকলে, ঘন ঘন শ্বাস নিলে, পেট অস্বাভাবিকভাবে ফুলে গেলে, পশু হঠাৎ করে মারাও যেতে পারে। মারা যাওয়ার পর প্রাণীর নাক, মুখ ও পায়খানার রাস্তা দিয়ে কালচে রক্ত বের হয়ে আসে। এমন পশু অ্যানথ্রাক্সে আক্রান্ত বলে মনে করা হয়। এমন অসুস্থ গবাদিপশুর শ্লেষ্মা, লালা, রক্ত, মাংস, হাড়, নাড়িভুঁড়ি ইত্যাদির সংস্পর্শে এলে মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হয়। তাই যাঁরা পশু জবাই, কাটা-বাছা, ধোয়া, রান্নার কাজে জড়িত, তারাই বেশি আক্রান্ত হন। তাই সাবধান হোন।

তবে অ্যানথ্রাক্স নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই। অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত পশু মারা যায় খুব তাড়াতাড়ি। তাই বাজারে যে পশু পাওয়া যায়, সেগুলো অ্যানথ্রাক্সমুক্ত বলেই ধরে নেওয়া যেতে পারে। কারণ, দূরবর্তী কোনো এলাকা থেকে পশু ঢাকায় আনতে যে সময় ব্যয় হয়, তাতে অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত পশু জীবিত থাকার সম্ভাবনা কম।

পশু জবাইয়ের সময়ও সচেতন হতে হবে। আমাদের দেশে পশু জবাইয়ের নির্দিষ্ট স্থান নেই। তাই শহরে রাস্তার পাশে আর গ্রামে পুকুরের পাশে চলে পশু জবাইয়ের কাজ। পশু জবাইয়ের স্থান হতে হবে পরিষ্কার ও শুষ্ক। পশু জবাইয়ের আগে অনেকেই জবাইয়ের স্থানে পাউডার ছিটিয়ে দেন, এটা ভালোর চেয়ে খারাপ হতে পারে। পশু জবাইয়ের স্থান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন না হলে মাটিতে বসবাসকারী জীবাণু সহজেই মিশে যেতে পারে জবাই করা পশুর সঙ্গে। এটি চলে যেতে পারে আপনার পেটে। তা থেকে হতে পারে রোগবালাই। গবাদিপশুর মলের সঙ্গে ই. কোলাই, সালমোনেলা ও ক্যামপাইলোব্যাকটার নামক জীবাণু থাকে। তাই মল যদি মাংসের সঙ্গে মিশে যায়, তাহলে দেখা দিতে পারে ডায়রিয়া, টাইফয়েড ও অমাশয়ের মতো রোগবালাই। সাবধানে মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণের কাজ করুন।

গ্রামে পুকুরের পাড়ে জবাইয়ের কাজ করা হয়। ফলে রক্ত ও অন্যান্য বর্জ্য মিশে পানির সঙ্গে। এটা ঠিক নয়। আবার পুকুরের পানিতে চলে নাড়িভুঁড়ি পরিষ্কারের কাজ। এতে একদিকে পুকুরের পানির জীবাণু যেমন নাড়িভুঁড়িতে মিশে রোগ হতে পারে, তেমনি পুকুরের পানি দূষিত হয়ে দুর্গন্ধ ছড়াতে পারে। নাড়িভুঁড়ি যদি খেতেই চান, তাহলে পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে খান। আর ময়লা একটি গর্ত করে পুঁতে ফেলুন। শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কঠিন হলেও গ্রামে তা সহজ। একটি বড় ধরনের গর্ত করে তাতে সবাই মিলে ময়লা ফেলে এর ওপর ব্লিচিং পাউডার ছড়িয়ে দিয়ে মাটিচাপা দিন।

শহরে ড্রেনের আশপাশে পশু জবাই করুন। এতে ড্রেনেজ সিস্টেম বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ফলে দুর্গন্ধ ছড়াতে সময় লাগবে না। পরিষ্কার জায়গায় জবাইয়ের পর ময়লা একত্রে করে তার ওপর ব্লিচিং পাউডার ছড়িয়ে দিন। এবার সব ময়লা একটি ব্যাগে ভরুন। ময়লার ব্যাগ যদি সিটি করপোরেশনের ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলে আসেন, খুব ক্ষতি হবে কি? এতে করে আপনার বাসার আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকবে, দুর্গন্ধ ছড়াবে না। যদি বাসার আশপাশে ময়লা থাকে, তাহলে মশা-মাছি বেশি দেখা দেবে। সেই মশা-মাছির মাধ্যমে রোগাক্রান্ত হবেন আপনিই। একটু সচেতন হলেই আমরা শহরেও পরিচ্ছন্নভাবে পশু জবাইয়ের কাজ করতে পারি। কোরবানি করছেন আল্লাহকে খুশি করার জন্যই, ময়লা যেখানে-সেখানে ফেলে অন্যদের কষ্ট দেওয়া কি ঠিক হবে?

সৌজন্যে :হেল্প ফোর্স ব্যাচ ২০২১
সদস্য বৃন্দ

আপনি সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ চট্টগ্রাম টুডে কর্তৃক সর্বসত্ব সংরক্ষিত।
Theme Customized By BreakingNews
error: Content is protected !!