1. balaram.cox@gmail.com : balaram das : balaram das
  2. babuibasa@gmail.com : editor :
  3. news24nazrul@gmail.com : Nazrul Islam : Nazrul Islam
  4. rokunkutubdia@gmail.com : reporter :
  5. rokunkutubdia@yahoo.com : Rokiot Ullah : Rokiot Ullah
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২০, ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিষিদ্ধ ঘোষিত আল মারকাজুল ইসলামীর ১৮ বস্তি উচ্ছেদ মহেশখালী মাতারবাড়ী শহীদ জিয়া ছাত্র পরিষদ কমিঠির অনুমোদন উখিয়া উপজেলার নতুন ইউএনও নিজাম উদ্দিন আহমেদ যোগদান করেছে আজ মহেশখালীর ঝাপুয়া স্মরণকালের বৃহত্তম জানাজা গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী (ভুট্টোর), চিরনিদ্রায় শায়িত মহেশখালীর ঝাপুয়া স্মরণকালের বৃহত্তম জানাজা গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী (ভুট্টোর), চিরনিদ্রায় শায়িত প্রিয় কুতুপালং বাসির প্রতি মেম্বার প্রার্থী হেলাল উদ্দিনের কৃতজ্ঞতা শিকার এবং আরজি উখিয়ায় সাংবাদিকদের সাথে ডিআইজির মতবিনিময় মাদকের বিরুদ্ধে জিরো ঘোষণা, শুরু হবে অভিযান স্থানীয় হতদরিদ্রদের জীবনমান উন্নয়ন ও ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য কাজ করে যাচ্ছে ইউনাইটেড পারপাস উখিয়া আওয়ামী লীগের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপন কুতুপালংয়ে স্বশস্ত্র রোহিঙ্গাদের চাঁদা দাবী, স্থানীয় বাড়ি,৭ সিএনজি ভাংচুর-লুটপাট,৮ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

রাক্ষসী দরিয়ার ছোবল থেকে আশ্রয় চায় কুতুবদিয়া বাসী

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২০
  • ৩০ জন সংবাদটি পড়েছেন

 

নাজমুল হুদা সাকিব

সেই জন্মলগ্ন থেকেই কুতুবদিয়া বাসী পানির সাথে হাবুডুবু খেয়ে আসছে,যা এখনও থেমে নেই।১৯৯১ সালের ২৯এপ্রিল বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ছোবলে পড়ে প্রাণ হারায় ২০হাজার কুতুবদিয়া বাসী।এতে বেড়িবাঁধও ভেঙে যায়।এ দ্বীপের চতুর্দিকে ৪০ কি.মি বেড়িবাঁধ এর মধ্যে অর্ধেক বেড়িবাঁধ ভাঙা। জলোচ্ছ্বাসের প্রকোপ প্রতিবছরই এ দ্বীপে পড়ে এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয় এলাকার দরিদ্র মানুষের।
কিন্তু এ বারের জলোচ্ছ্বাস স্মরণকালের ভয়াবহ এবং করালগ্রাসী রূপ নিয়েছে।এরই ভয়াবহতায় মানুষ শুধু আতঙ্কিত হয়নি হয়ে পড়েছে হতবিহ্বল। ভেঙ্গে গেছে ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট; মাঠের পর মাঠ যেখানে ফলে সোনালী ফসল আর লবণের চাষ।সব ডুবে যায় বিশাল জলরাশির তলে।মন হয় যেন দিগন্ত জোড়া নদী, মাঝে মাঝে বাড়ির চাল দেখে মনে হয় সমুদ্রের মাঝে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দ্বীপ।
এমনকি কুতুবদিয়ার প্রধান সড়ক (আজম রোড) ও পানির ছোবল থেকে রক্ষা পায়নি।এ যেন এক গগণবিদারী হাহাকার।
সর্বগ্রাসী জলোচ্ছ্বাসে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অভাবনীয়।প্রায় ৫০০ ঘরবাড়ি পানি বন্দী,৫কি.মি. রাস্তায় গাড়ি চলাচল বন্ধ রয়েছে। পানির প্লাবনে নষ্ট হয়ে গেছে ৩০০ একর জমি। যদিও ১০ বছর আগে থেকেই জমিগুলো ফসলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। তাছাড়া অনেকেই পানিবাহিত রোগের শিকার হয়েছে।প্রতিবছর এ জলোচ্ছ্বাসের কারণে ৪-৫ জন লোক মারাও যায়।
মাননীয় পানি মন্ত্রীর কয়েকবার পরিদর্শনে বাজেট ঘোষণা করলেও কিছু লোভী মানুষের হাতে দায়িত্ব পড়াই তা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি।
বিভিন্ন আশ্বাস ও প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবায়ন করা হয়নি স্থায়ী ও টেকসই বেড়িবাঁধ।তাই দ্বীপবাসীর দাবি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এ কাজ বাস্তবায়ন করা।
পরিশেষে দ্বীপবাসীর একটাই দাবী
“চাইনা মোরা ত্রাণ
বাঁচাতে চাই প্রাণ”

আপনি সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ চট্টগ্রাম টুডে কর্তৃক সর্বসত্ব সংরক্ষিত।
Theme Customized By BreakingNews
error: Content is protected !!