1. balaram.cox@gmail.com : balaram das : balaram das
  2. babuibasa@gmail.com : editor :
  3. news24nazrul@gmail.com : Nazrul Islam : Nazrul Islam
  4. rokunkutubdia@gmail.com : reporter :
  5. rokunkutubdia@yahoo.com : Rokiot Ullah : Rokiot Ullah
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:৩০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :

প্রায় বন্ধের পথে প্রিজম স্কুলটি

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২০
  • ১১৯ জন সংবাদটি পড়েছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

দক্ষিণ পুটিবিলা দাসিমাঝি পাড়া মহেশখালী উপজেলা ও পৌর সদরের একটি শিক্ষা অনগ্রসর এলাকা।শিক্ষের সম্মানী যোগাতে না পেরে যে কোন সময় বন্ধ হতে পারে ১৫বছরের সচল প্রিজম স্কুলটি।­এ গ্রামটির চার পাশ ঘিরে মহেশখালীর প্রধান প্রধান সরকারী বেসরকারী উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্টান সহ সরকারের জনগুরুত্বপূর্ন দপ্তর সমুহ অবস্থিত। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে বর্তমান ৩টি ইউনিয়ন পরিষদ ছোট মহেশখালী,কুতুবজোম ও গোরকঘাটা নিয়ে বৃহত্তম গোরকঘাটা ইউনিয়ন পরিষদ বিভক্ত হয়ে পরবর্তী গোরকঘাটা ইউনিয়নটি মহেশখালী পৌরসভায় রুপান্তরিত হয়। তবুও এ গ্রামটিতে একটি সরকারী বেসরকারী শিশু শিক্ষা প্রতিষ্টান গড়ে উঠেনি।
২০০৪সালে স্থানীয় এক স্বল্প শিক্ষিত যুবক অাবুল বশর পারভেজ এর একান্ত প্রচেষ্টায় সাবেক চেয়ারম্যান শামসুল অালম,এনজিও কর্মী রাজেস খান্না সুশীলের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় প্রিজম বাংলাদেশ নামীয় একটি বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা কর্তৃক ৩৯শতক জমির উপর ৩য় তলা বিশিষ্ট নির্মিত ভবনে প্রথমে দক্ষিন পুটিবিলা বিদ্যা নিকেতন,২য় বারে- দক্ষিণ পুটিবিলা প্রদীপালয়,৩য় বারে- মহেশখালী প্রতিবন্ধী প্রদীপালয় অটিজম স্কুল,৪র্থ বারে -দক্ষিণ পুটিবিলা প্রিজম বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় নাম করণ করে শিক্ষা প্রতিষ্টানটি অভাব অনটনে চলছে।
এতসব নাম পরিবর্তন পরিবর্ধন করার নেপথ্য ছিল ৫/৬জন শিক্ষক/শিক্ষিকাদের নূন্যতম সম্মানী ব্যবস্থাপনার খাতিরে করা।
প্রথমে শুরুটি যে ভাবে হয়,৩য় তলা ভবনটি ১৯৯৪/৯৫সনে সম্পূর্নরুপে প্রিজম বাংলাদেশ সংস্থার সচল একটি অফিস কার্যক্রম চলমান ছিল।
স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিগত নানান প্রতিবন্ধকতায় এনজিও সংস্থাটি তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে মহেশখালী থেকে চলে যায়। এরই ফাকে মালিকের দেখাবালের অভাব ও অপরিচর্জার কারনে দরজা,জানালা,বৈদ্যুতিক লাইন,টয়লেট ব্যবস্থাপনা, পানির লাইন সহ সব কিছু নিরবে সরবে চুরি হয়ে ইটের দেওয়ালের কংকালে দাড়িয়ে থাকা ডাস্টবিনে পরিনত হয়।
সেই ডাস্টবিনের ভবনটি অামরা স্কুল করার প্রয়োজনে সুইপারদ্বারা ব্যবহার উপযোগি করে তুলে গ্রামের মানুষের ১০,৫০,১শত টাকার চাঁদায় অাদর্শ লিপি বই ক্রয় করে,রহিমা বেগম ও কামরুনাহার নামের ২জন শিক্ষিকা সেচ্ছাশ্রমে গ্রামে গ্রামে জরীপ করে ফ্রিঃতে বই বিতরণ করে শিশু শ্রেনীর ক্লাসে দক্ষিণ পুটিবিলা বিদ্যা নিকেতন স্কুলটির যাত্রা শুরু করি। স্কুলটি চালু রাখতে কমিটির লোকজন, শিক্ষক কখনো উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, উপজেলা সমাজ সেবা অফিস, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস,মেয়র মহেশখালী পৌরসভা,
বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা এসএ অারপিভি সার্ভ,কোস্ট ট্রাস্ট,কোডেক শিখন প্রকল্প,ডাব্লিউ এফপি,রিক,মুক্তি ককসবাজার,মুসলিম এইড,পুলিশ,এনজিও কর্মী,ট্রলার মাঝি,স্থানীয় ব্যবসায়ী সহ অসংখ্য ব্যক্তিপ্রতিষ্টানের নিকট ধর্না দিয়ে যারযত সাধ্য সামর্থ্য দিয়ে সহযোগিতা নিয়েছেন। বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান অালহাজ্ব মো: শরীফ বাদশা প্রতিষ্টাকালীন ২বছর নিজের অর্থে বই ক্রয় করে দিয়ে ক্লাস চালানোর জন্য অবদান রেখেছেন। স্থানীয় ভাবে অারো যে সকল ব্যক্তি অবদান রেখেছেন,মরহুম অাবু বক্কর ছিদ্দিক,আব্দুল গফুর টিকাদার,রহিমা কবির,হাজী অাব্দুল হাকিম,অাব্দুল করিম সওদাগর,গিয়াসউদ্দিন,দলিলঅাহাম্মদ, জামাল হোসেন,জাগির হোসন,অাবু তালেব মেম্বার,অাবুল কালাম,প্রনব কুমার দে,নবাব মিয়া,শফিউল অালম,মনজুর, রওশন অারা গফুর,মাষ্টার নওয়াব হোসেন,সরওযার উদ্দিন,শামসুদ্দোহা,অতীতে নিয়োজিত শিক্ষকগণ সেলিনা আকতার,ফরিদা ইয়াছনমিন,সাদিয়া শারমিন মৌ, গোপাল দাস,বিশ্বজীৎ দাস,মাওলানা হামিদ হোসাইন (এমএম)অাব্দুল কাদের,অাঞ্জুমান অারা,রুমানা অাকতার, অাজিজা খানম,মোহছেনা বেগম,ফারহানা সোলতানা,
২০১৫সালে মহেশখালী উপজেলার তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ অানোয়ারুল নাছের ব্যক্তিগতভাবে প্রিজম বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক খোন্দকার অানিসুর রহমানের সাথে ফোনালাফে তাদের জমিটি সামাজিক কল্যাণে মহেশখালীর জমিটি স্কুল প্রতিষ্টানের নামে দান করার সুপারিশ করলে প্রিজম বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের সভাপতি লে: কর্নেল(অব:)এবিএম এ হুসাইন ফাউন্ডেশনের সভায় জমিদানের অনুমোদন প্রদান করেন।
২০১৬সালে ২৩শে ফেব্রুয়ারী ৩তলা বিশিষ্ট ভবন সহ ৩৯শতক জমি রেজীষ্ট্রাট কবলা সম্পাদন করে।
মহেশখালী কুতুবদিয়ার বর্তমান সংসদ সদস্য অাশেক উল্লাহ রফিক সব সময় সরকারী ও ব্যক্তিগতভাবে সহায়তা করে অাসছে এ প্রতিষ্টানটিকে।
২০১০সাল থেকে ২০১৯সাল পর্যন্ত বিদ্যালয় টি থেকে ২৯৭জন পিএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জন করে।
দাসিমাঝিপাড়া গ্রামের নাম শুনলে অনেকেই , ভয় করতেন,বদনাম বয়ে বেড়াতেন, চুরি চামারী,মাদক, চিন্তাই,পকেট মারা নানান অপবাদের জন্য হিংসার্থক পরিচিতি মনে করত। সে গ্রামটিতে মরহুম গোলাল ফকির হেফজ খানা ও প্রিজম স্কুলটি গ্রামে শিক্ষার অালো ছড়াচ্ছে।যে স্কুলটিতে শিক্ষকেরা বিনা বেতনে পাঠদান করে সে প্রিজম বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি প্রতি বছর জাতীয় দিবসে কয়েকটি ইভেন্টে ১ম ও ২য় স্থানের গৌরব অর্জন করে।
বর্তমান শিক্ষা বর্ষে শিশু থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত ২৫৭জন শিক্ষার্থী রয়েছে।
৯জন বিভিন্ন ক্যাটাগরীতে প্রতিবন্ধী শিক্ষাভাতার সুযোগ পায়। বর্তমানে যারা নিয়োজিত অাছেন সেচ্ছায় প্রধান শিক্ষিকা খুরশিদা বেগম,কামরুনাহার,সেলিনা আকতার,সুলতানা বিলকিস,শাকের মাহামুদ,জননেত্রী জাতির পিতার কণ্যার নিকট আকুল আবেদন হাজার হাজার একর কয়লা বিদ্যুৎ এর জন্য জমি দেওয়া উপজেলা মহেশখালীর উপজেলা সদরের প্রাণ কেন্দণের শিশু স্কুলটি সরকারেরর জাতীয় করণে অন্তর্ভুক্ত করে বেতন বিহীন বছরের পর বছর নিয়োজিত থাকা শিক্ষক শিক্ষিকাদের চাকুরী স্থায়ী করার দাবী জান্নাচ্ছি।

আপনি সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ চট্টগ্রাম টুডে কর্তৃক সর্বসত্ব সংরক্ষিত।
Theme Customized By BreakingNews
error: Content is protected !!