1. balaram.cox@gmail.com : balaram das : balaram das
  2. babuibasa@gmail.com : editor :
  3. news24nazrul@gmail.com : Nazrul Islam : Nazrul Islam
  4. rokunkutubdia@gmail.com : reporter :
  5. rokunkutubdia@yahoo.com : Rokiot Ullah : Rokiot Ullah
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
পেকুয়ায় ১শ ৫০ পরিবারে বনবিভাগের চারা বিলি কুতুপালংয়ে ক্যাম্প ইনচার্জের আস্কারায় রোহিঙ্গাদের দখল পাঁয়তারা কুতুবদিয়া ওসি’র মহিলা কলেজ পরিদর্শন মাতারবাড়ীর ইউপি চেয়ারম্যানের আন্তরিকতায় অবশেষে ভাঙ্গা সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি প্রত্যাহারঃপূর্বের কমিটি বহাল মাহদী সভাপতি সুজন সম্পাদক, ধূরুং ইউনাইটেড় ক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত উখিয়ায় বিজিবির ডগ চার্লির তল্লাশীতে ৪১ হাজার ইয়াবা উদ্ধার আটক-১ ৯ দফা দাবীতে ছাত্রদের কঠোর আন্দোলনে উত্তাল হাটহাজারী মাদ্রাসা হাটহাজারী কওমী মাদ্রাসায় আনাস মাদানী কে বহিষ্কার সহ ৫ দফা দাবিতে ছাত্রদের আন্দোলন চলছে উখিয়ার কুতুপালংবাসীর প্রতি তরুণ সমাজকর্মী হেলাল উদ্দিনের বার্তা

পেকুয়ায় সেবিকার হামলায় ওয়ার্ডবয় আহত, জিম্মিদশা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ২২ জুন, ২০২০
  • ৮৪ জন সংবাদটি পড়েছেন

পেকুয়া প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের পেকুয়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবিকা ও তার স্বামী পিটিয়ে আহত করেছে ছোট ভাইকে। আহত ব্যক্তি চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওয়ার্ডবয়।

এ সময় তাকে বাড়িতে জিম্মি করে ব্যাপক ভাংচুর ও তান্ডব চালিয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ জিম্মিদশা থেকে উদ্ধার করেছে। আহত ব্যক্তি পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

সোমবার (২২জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের সিকদার পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত নেজাম উর রহমান (৩৩) ওই এলাকার মৃত এছহারুল হকের ছেলে।

এ ব্যাপারে নেজাম উর রহমানের স্ত্রী রুজিনা আক্তার বাদি হয়ে পেকুয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, নেজাম উর রহমান ও তার বোন মনছফা বেগম স্বামী সন্তান নিয়ে একই ঘরে বসবাস করে আসছিলেন। ভাসুর ইসহাক ও ভগ্নিপতি ছরওয়ার উদ্দিন মানিক একজন নেশাখোর। বোন মনছফা ও ভগ্নিপতি মাদক ব্যাবসার সাথে জড়িত। প্রায় সময় ছরওয়ার ও ভাসুর ইসহাক নেশাজাত দ্রব্য সেবন করে বাড়িতে এসে মাতলামি করে। তারা ঝগড়াটে প্রকৃতির লোক। মাদক সেবন ও ব্যবসার প্রতিবাদ করলে নানা ধরনের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে।

বাদি রুজিনা আক্তার জানায়, ঘটনার দিন সকালে আমার স্বামী নেজাম উর রহমান এসবের প্রতিবাদ করে। এতে তারা ক্ষিপ্ত হয়। মনছফার সাথে সামান্য বাকবিতন্ডা হয়। এ সময় মনছফা, তার স্বামী ছরওয়ার, ছেলে হিরন, ভাসুর ইসহাক, ভাবি হামিদা মিলে আমার স্বামীকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। তারা প্রতিনিয়ত ইয়াবা সেবন করে এলাকা অতিষ্ট করে তুলেছে। আমি এহেন কর্মকান্ডে ভাসর ইসহাকের বিরুদ্ধে চকরিয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে জিডি (১৩/১৯) করি। এছাড়া পেকুয়া এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে এম.আর মামলা (৯৭) দায়ের করি।

আহত নেজাম উর রহমান জানায়, বড় বোন মনছফা ও ভগ্নিপতি ছরওয়ার ইয়াবা ব্যবসায়ী। বড় ভাই মাদকসেবি। আমরা এক সাথে পৈত্রিক ভিটায় বসবাস করি। চাকুরীর সুবাধে আমি চকরিয়ায় থাকি। স্ত্রী ও সন্তান বাড়িতে থাকে। তারা প্রতিনিয়ত মাদক সেবন করে বাড়িতে এসে মাতলামি করে। আমরা প্রতিবাদ করলে হামলা ও মারপিট করে। সকালে এসবের প্রতিবাদ করছিলাম। আমাকে পিটিয়ে আহত করে। বাড়ি ভাংচুর ও তান্ডব চালায়। আমাকে বাড়িতে জিম্মি করে রাখে। পুলিশের ৯৯৯নং ফোন করি। পুলিশ জিম্মিদশা থেকে উদ্ধার করেছে। তারা ভয়ংকর লোক। আমাকে এখন প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দিচ্ছে। আমি ও আমার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি। আমি এ ব্যাপারে প্রশাসনের উর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুল আজম জানায়, পুলিশ পাঠিয়েছি। লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আপনি সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ চট্টগ্রাম টুডে কর্তৃক সর্বসত্ব সংরক্ষিত।
Theme Customized By BreakingNews
error: Content is protected !!