1. balaram.cox@gmail.com : balaram das : balaram das
  2. babuibasa@gmail.com : editor :
  3. news24nazrul@gmail.com : Nazrul Islam : Nazrul Islam
  4. rokunkutubdia@gmail.com : reporter :
  5. rokunkutubdia@yahoo.com : Rokiot Ullah : Rokiot Ullah
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২০, ০৩:১০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
প্রিয় কুতুপালং বাসির প্রতি মেম্বার প্রার্থী হেলাল উদ্দিনের কৃতজ্ঞতা শিকার এবং আরজি উখিয়ায় সাংবাদিকদের সাথে ডিআইজির মতবিনিময় মাদকের বিরুদ্ধে জিরো ঘোষণা, শুরু হবে অভিযান স্থানীয় হতদরিদ্রদের জীবনমান উন্নয়ন ও ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য কাজ করে যাচ্ছে ইউনাইটেড পারপাস উখিয়া আওয়ামী লীগের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপন কুতুপালংয়ে স্বশস্ত্র রোহিঙ্গাদের চাঁদা দাবী, স্থানীয় বাড়ি,৭ সিএনজি ভাংচুর-লুটপাট,৮ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি ধর্ষকদের বিচারের দাবিতে নবঘোষিত হাটহাজারী উপজেলা, পৌরসভা ও কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ উখিয়া উপজেলা মহিলা আ’লীগের আয়োজনে দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন পালিত প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কক্সবাজার জেলা পরিষদের সদস্য মাস্টার রহুল আমিন উখিয়ায় আওয়ামীলীগে হামিদুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে শেখ হাসিনার জন্মদিন পালিত ঘুমধুমে সীমানা বিরোধের জেরে ইয়াবা কারবারিদের হামলায় নারীসহ আহত-২

কাদিয়ানিদের কাফের ঘোষণার দাবীর মাধ্যমে আসলে কি চাওয়া হয়? শেখ ফজলুল করিম মারুফ

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১০ জুন, ২০২০
  • ৮৫২ জন সংবাদটি পড়েছেন

শেখ ফজলুল করিম মারুফ

সেক্যুলার রাষ্ট্রে কাদিয়ানীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণার দাবীর মুল যুক্তি কি ধর্মতত্ত্ব নাকি নাগরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট?

কাদিয়ানীরা কাফের এটা ইসলামী দর্শন ও মূলভাষ্যের দ্বারা প্রমানিত ও প্রতিষ্ঠিত। তাহলে রাষ্ট্রের কাছে কাদিয়ানিদের কাফের ঘোষণার দাবীর মাধ্যমে আসলে কি চাওয়া হয়?

রাষ্ট্র যদি কাদিয়ানিদের অমুসলিম বলে ঘোষণা করেও তারপরেও কি একটি সেক্যুলার রাষ্ট্রকে ইসলামের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকার দেয়া যায়? দিলে কোন ক্ষেত্রে কতটা?

ইসলামের বৃহৎ পরিসরে অনেকগুলো চিন্তাধারা আছে। রাষ্ট্রকে কি সেসব মতপার্থক্যের ক্ষেত্রেও ফয়সালা করবে?

যদি ধর্মীয় বিবেচনায় কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা করা দায়িত্ব সেক্যুলার রাষ্ট্র পালন করে তাহলে নামাজে জোড়ে আমীন বলা না বলার যে মতপার্থক্য তার ফয়সালা কেন রাষ্ট্র করবে না?

বা ধর্মীয় যুক্তিতে কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা করার দাবী যদি যৌক্তিক হয় তাহলে রাষ্ট্রীয়ভাবে নামাজে জোড়ে আমীন না বলাকে অবৈধ ঘোষণার দাবী অযৌক্তিক হবে কেন?

মূল কথা হলো, ধর্মীয় বিষয়ের সমাধান সেক্যুলার রাষ্ট্রের কাছে চাওয়ার অনেক বিপদ আছে। এবং নীতিগতভাবে এটা পরাজয়ের লক্ষণ।

ইসলাম নীতিগতভাবেই সেক্যুলার রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে। যে রাষ্ট্র ব্যবস্থা ইসলামের একেবারে মৌলিক বিষয় “আল্লাহর সার্বভৌমত্ব” কে অস্বীকার করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যে বিচারকরা আল্লাহর আইনের বিরুদ্ধ আইন দিয়ে বিচারকার্য পরিচালনা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যাদের ব্যাপারে কোরআন কঠোরতম শব্দ প্রয়োগ করেছে তাদের কাছেই ইসলাম সংক্রান্ত বিষয়ে ফয়সালা চাওয়া নীতিগতভাবেই সমর্থনযোগ্য হতে পারে না।

সেক্যুলার রাষ্ট্র যেহেতু নীতিগতভাবে ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক তাই এই সম্ভবনা যথেষ্টই আছে যে, তারা কাদিয়ানীদের মুসলিম হিসেবেই স্বীকৃতি দেবে। যদি দেয় তাহলে কি তারা মুসলিম হয়ে যাবে বা এই রায় আন্দোলনকারীরা মেনে নেবে?

উত্তর যদি না হয় তাহলে তাদেরকে অমুসলিম ঘোষণার দাবী করার কোন যৌক্তিক কারণ নাই। বরং এই দাবী অন্য অনেক ধরনের বিপদের দরজা খুলে দেবে।

ইসলামের ওপরে সেক্যুলার রাষ্ট্রের কতৃত্বের স্বীকৃতি দেয়া হয় দাবীর মাধ্যমে। যা কোনভাবেই সমর্থনযোগ্য হতে পারে না।

তাহলে কি কাদিয়ানিদের প্রতারনাকে বৈধতা দিতে হবে?

না! কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণার দাবী করতে হবে তবে সেটা নাগরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় হিসেবে উপস্থাপন করে।

তাদের বিচার করতে হবে এবং তাদেরকে মুসলিম পরিচয় ব্যবহার থেকে নিবৃত্ত করতে হবে প্রতারনার অপরাধে ও অন্যের পরিচয় ব্যবহার করে মানুষকে ধোঁকা দেয়ার অপরাধে। এবং এই আইনেই তাদের বিচার দাবী করতে হবে। মানুষকে ধোঁকা ও প্রতারনা থেকে রক্ষা করতে রাষ্ট্রকেও কাদিয়ানীদের বিষয়টা ফয়সালা করতে হবে।

বাংলাদেশের ইসলামপন্থা নিয়ে গবেষণারত ঢাবির এক শিক্ষকের সাথে আলোচনায় আমি বলেছিলাম,

স্যার!
মাঝে মাঝেই দেখা যায় যে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিছু লোককে আটক করে এই অভিযোগে যে তারা পুলিশ/RAB পরিচয় দিকে “কাজ” করছিলো। “ডিবি পরিচয় দিয়ে “কাজ” করা” অপরাধ কেন হবে?

স্যারের জবাব ছিলো, কারণ তারা “আসল” পুলিশ না। তাদের এই “ভুয়া পরিচয়” ব্যবহারের কারণে মানুষ প্রতারিত হবে। সে কারণেই রাষ্ট্র এখানে কারো ব্যবহৃত “পরিচয়” নিয়ে নাক গলাচ্ছে এবং তা বৈধও হচ্ছে।

তাহলে স্যার, জনৈক ব্যক্তি মুসলিম পরিচয় দিয়ে ঘুরে বেরাচ্ছে অথচ সে মুসলমান না। এটা কি অপরাধ না? রাষ্ট্রের কি উচিৎ না এই ভুয়া পরিচয়দাতাকে আইনের আওতায় আনা? এটা তো নাগরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়?

স্যার! কেউ যদি যাত্রাবাড়ি মাছের আঁড়তের ওপরে “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়” পরিচয় দিয়ে “পাঠদান” করে সেটা কি অপরাধ হবে? যদি হয় তাহলে একজন অমুসলিম “মসজিদ” বানিয়ে “নামাজ” পড়া, আজান দেয়া কেন অপরাধ হবে না?

স্যার!
কেউ যদি দৃশ্যত আপনার ফেসবুক আইডির মতো আরেকটি আইডি বানিয়ে আপনার হয়ে সবার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে এবং আপনি যদি তা রাষ্ট্রকে জানান তাহলে রাষ্ট্রের কি উচিৎ না বিষয় খতিয়ে দেখা?

হ্যা! উচিৎ। কারণ এটা আপনার পরিচয় সংকট। ঠিক একই কারণে রাষ্ট্রের উচিৎ কাদিয়ানিদের বিষয়টি খতিয়ে দেখা এবং সমাজে তাদের মুসলিম পরিচয় ব্যবহার করে স্বার্থ হাসিলের বিষয়টি বন্ধ করা।

এখানে প্রশ্নটা ধর্মীয় না বরং বিষয়টা নাগরিক সমস্যার। বিষয়টা কারো ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রশ্ন না বরং বিষয়টা প্রতারনার।

কাদিয়ানি সমস্যাটাকে এভাবে উপস্থাপন করলে ইসলামকে সেক্যুলার রাষ্ট্রের কাছে বিচার প্রার্থী হতে হয় না আবার কাদিয়ানী সমস্যার সমাধানও হয়।

কাদিয়ানী সমস্যাকে একটি নাগরিক সমস্যা ও কাদিয়ানি বিরোধী আন্দোলনকে ভেজাল বিরোধী আন্দোলনের মতো একটি সামাজিক আন্দোলনে পরিনত করতে হবে। অন্যথায় বিষয়টির কোন সুরাহা তো হবেই না বরং এটাকে ব্যবহার করে ইসলামকে প্রতিক্রিয়াশীল ও অসহিষ্ণু হিসেবে উপস্থাপন করা হবে।

তাগুতের কৌশল বুঝেই ইসলামপন্থীদের কৌশল নির্ধারন করা উচিৎ।

বিশিষ্ট লেখক, গবেষক ও সংগঠন
সাবেক সভাপতি ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটি

আপনি সংবাদটি শেয়ার করুন

One response to “কাদিয়ানিদের কাফের ঘোষণার দাবীর মাধ্যমে আসলে কি চাওয়া হয়? শেখ ফজলুল করিম মারুফ”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ চট্টগ্রাম টুডে কর্তৃক সর্বসত্ব সংরক্ষিত।
Theme Customized By BreakingNews
error: Content is protected !!