1. balaram.cox@gmail.com : balaram das : balaram das
  2. babuibasa@gmail.com : editor :
  3. news24nazrul@gmail.com : Nazrul Islam : Nazrul Islam
  4. rokunkutubdia@gmail.com : reporter :
  5. rokunkutubdia@yahoo.com : Rokiot Ullah : Rokiot Ullah
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২০, ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিষিদ্ধ ঘোষিত আল মারকাজুল ইসলামীর ১৮ বস্তি উচ্ছেদ মহেশখালী মাতারবাড়ী শহীদ জিয়া ছাত্র পরিষদ কমিঠির অনুমোদন উখিয়া উপজেলার নতুন ইউএনও নিজাম উদ্দিন আহমেদ যোগদান করেছে আজ মহেশখালীর ঝাপুয়া স্মরণকালের বৃহত্তম জানাজা গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী (ভুট্টোর), চিরনিদ্রায় শায়িত মহেশখালীর ঝাপুয়া স্মরণকালের বৃহত্তম জানাজা গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী (ভুট্টোর), চিরনিদ্রায় শায়িত প্রিয় কুতুপালং বাসির প্রতি মেম্বার প্রার্থী হেলাল উদ্দিনের কৃতজ্ঞতা শিকার এবং আরজি উখিয়ায় সাংবাদিকদের সাথে ডিআইজির মতবিনিময় মাদকের বিরুদ্ধে জিরো ঘোষণা, শুরু হবে অভিযান স্থানীয় হতদরিদ্রদের জীবনমান উন্নয়ন ও ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য কাজ করে যাচ্ছে ইউনাইটেড পারপাস উখিয়া আওয়ামী লীগের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপন কুতুপালংয়ে স্বশস্ত্র রোহিঙ্গাদের চাঁদা দাবী, স্থানীয় বাড়ি,৭ সিএনজি ভাংচুর-লুটপাট,৮ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

প্রতি মন লবনের ওজন ৬৮ কেজি!

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২০
  • ১০২ জন সংবাদটি পড়েছেন

নাজিম উদ্দিন,পেকুয়া

পেকুয়ায় ৬৮ কেজিতে নির্ণয় করা হচ্ছে প্রতি মণ লবণ। দালাল চক্র প্রতি মণ লবণ পরিমাপ করছে ৬৮ কেজিতে। ৪০ কেজিতে ১ মণ। কিন্তু লবণের বেলায় এর বিপরীত। প্রতি মণ কাঁচা লবণ ওজন পরিমাপ হচ্ছে ৬৮ কেজি হারে। উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নে প্রতিমণ লবণ পরিমাপ ধার্য্য হচ্ছে প্রায় ৭০ কেজি হারে। সুত্র জানায়, রাজাখালী ইউনিয়নের নতুনঘোনায় প্রতি মণ লবণের ওজন ৬৮ থেকে ৭০ কেজিতে। ওই এলাকার লবণ চাষী মোহাম্মদ দিদার ৬২৫ মণ লবণ বিক্রি করেন। ৪ জুন (বৃহস্পতিবার) চাষী মোহাম্মদ দিদার ওই লবণ বিক্রি করে। নতুনঘোনা বদুর মুন্সির ঘোনা থেকে ওই লবণ ব্যবসায়ীকে বিক্রি করে। সুত্র জানায়, একই এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে ছাবের মাঝি সকালে দিদারের লবণ মাঠে গিয়ে ওজন দেন পরিমাপের জন্য। লবণ চাষী দিদার জানান, মাঠে উৎপাদিত সাদা লবণ প্রতি মণ ওজন ধরা হয় ৪২ কেজিতে। ২১ কেজি করে দু’পাল্লায় ওজন ধার্য্য হয় ১ মণ। ছাবের মাঝি নামক ওই ব্যক্তি আমার কাছ থেকে লবণ নিয়েছে প্রতি মণে ৬৮ কেজি ৭শ গ্রাম হারে। ৪২ কেজি কাঁচা লবণের ওজন এখানে স্বাভাবিক আছে। সেই হিসেবে আমার কাছ থেকে প্রতি মণ ওজনে ২৪ কেজি ৭ শ গ্রাম হারে অতিরিক্ত লবণ নিয়ে গেছে। আমাকে ঠকিয়ে ওই চক্র ৬২৫ মণ লবণের মধ্যে অতিরিক্ত নিয়ে গেছে আরও ৩শ মণ বেশী। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লবণ শিল্পের এমনি অধ:পতন অবস্থায়। গেল অর্থ বছরে লবণের ফলন বিপর্যয় হয়েছে। সেই সাথে মূল্যও নেই মাঠে। কৃষক বিপর্যস্ত হয়েছে। তবে পরিমাপ নিয়েও প্রতিনিয়ত ঠকছে লবণ চাষী। দিদার নামক ওই লবণ চাষীর কাছ থেকে কৌশলে ৩শ মণের বেশী লবণ হাতিয়ে নিয়েছে। ছাবের মাঝিসহ দালাচক্রের হাতে সর্বনাশ হচ্ছে প্রান্তিক লবণ চাষী। তারা এ ভাবে সাধারন চাষীকে ঠকিয়ে লুটে নিচ্ছে লবণ। চাষী মোহাম্মদ দিদার জানান, আমি সাড়ে ৪ কানি জমিতে লবণ চাষ করি। লোকসানের মধ্যে শেষ হয়েছে লবণ চাষ। মজুদকৃত লবণ বিক্রি করছি। ছাবের মাঝি আমাকে ঠকিয়ে ৬২৫ মণ লবণের মধ্যে নিয়ে গেছে ৯শ মণের বেশী লবণ। আমি ওই দালালের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা চাইব।

আপনি সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ চট্টগ্রাম টুডে কর্তৃক সর্বসত্ব সংরক্ষিত।
Theme Customized By BreakingNews
error: Content is protected !!