1. balaram.cox@gmail.com : balaram das : balaram das
  2. babuibasa@gmail.com : editor :
  3. news24nazrul@gmail.com : Nazrul Islam : Nazrul Islam
  4. rokunkutubdia@gmail.com : reporter :
  5. rokunkutubdia@yahoo.com : Rokiot Ullah : Rokiot Ullah
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
তৃণমূল নেতাকর্মীদের দাবী- এ কে ভুট্টো সিকদার হোক নৌকার প্রার্থী প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ কালারমারছড়ার নোনাছড়িতে ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী অপহরণের অভিযোগ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হলদিয়াপালং ইউনিয়ন শাখার দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল সম্পন্ন উখিয়ায় নতুন ইউএনও নিজাম উদ্দিন আহমেদ উখিয়ার মানুষ সহযোগিতা পরায়ণ বলেছেন সদ্য বিদায়ী ইউএনও নিকারুজ্জামান চৌধুরী উখিয়ায় র‍্যাবের অভিযানে ১৯৬০০ পিস ইয়াবাসহ আটক দুই রোহিঙ্গা রোহিঙ্গা সংকট এবং করোনা মোকাবিলায় ইউএনও নিকারুজ্জামান ছিলেন খাঁটি দেশপ্রেমিক-এমপি শাহীন রাজাপালং ইউপির ৯ নং ওয়ার্ডের উপ-নির্বাচনে একই পরিবারের মাতা-ছেলে-জামাতার মনোনয়ন

উজানটিয়ায় চেয়ারম্যানের উদ্যোগে ৩শ একর জমিতে পানি চলাচল ব্যবস্থা, স্বস্থিতে চিংড়ি ও লবণ চাষীরা

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২০
  • ২৭০ জন সংবাদটি পড়েছেন

জয়নাল আবেদীন, পেকুয়া:

পেকুয়ায় বেড়িবাঁধের তলদেশে বসাবে পাইবার পাইপ, ৩শ একর জমিতে হবে এবার মৎস্য চাষ। পানি ও সেচ সুবিধা অনিশ্চিত থাকায় বিলের এ সব জমি থেকে গেছে অনাবাদী।

এতে করে কৃষক ও মৎস্যচাষীদের পড়তে হয়েছে বিড়ম্বনায়। গত ৩ বছর ধরে বিপুল জমি অনাবাদী থাকায় শত শত মানুষ বেকার হয়েছে। চাষ না হওয়ায় স্থানীয় অর্থনীতিতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

এ অবস্থায় পেকুয়ায় ৩শ একর জমিতে মৎস্য চাষ ও লবণ চাষ উপযোগী করতে ব্যক্তি পর্যায়ে নেয়া হয়েছে উদ্যোগ। রুপালী সম্পদ মৎস্য চাষ ত্বরান্বিত করতে এবার জমির মালিক ও চাষীদের যৌথ উদ্যোগে ৩শ একর জমিতে সম্ভাবনার নতুন দ্বার উম্মেচিত হয়েছে। ব্যক্তিগত উদ্যোগে খামারীরা পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা

চুড়ান্তকরন করেছেন। নদী থেকে লবণাক্ত পানি জমিতে সরবরাহের জন্য নদীর অববাহিকায় স্থাপন করা হচ্ছে নাসি। বেড়িবাঁধের তলদেশে বসানো হচ্ছে উন্নত প্রযুক্তির পাইপ। শক্তিশালী ও প্রযুক্তিনির্ভর ওই পাইপ দিয়ে পানি ও সেচ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।

ফলে উজানটিয়া ইউনিয়নের পূর্ব উজানটিয়া টেকপাড়া পয়েন্টের বিপুল জমি চাষ উপযোগীর আওতায় আসছে। এ দিকে অনাবাদী জমিতে চাষ উপযোগী করতে উদ্যোগ নিয়েছেন মৎস্যচাষীরা। সুত্র জানায়, উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের পূর্ব উজানটিয়া টেকপাড়ায় বিপুল জমি অনাবাদী থেকে গেছে।

গ্রামবাসী জানান, গত ৩ বছর ধরে টেকপাড়া বিলের এ সব জমি চাষবিহীন রয়েছে।বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ না করায় বিলের জমি গুলি অনাবাদী অবস্থায় পতিত আছে। শুষ্ক মৌসুমে এ সব জমিতে লবণ চাষও ৩ বছর ধরে প্রতিবন্ধকতার মধ্যে পড়েছে। উজানটিয়ার টেকপাড়া পয়েন্টে পানি সংকটে লবণ উৎপাদন থেমে গেছে।

চাষীরা জানান, উজান থেকে নেমে আসা মাতামুহুরী নদীর পানি দিয়ে লবণ উৎপাদন হয়না। ওই নদীর পানিতে সুস্বাদু ভাব বেশী থাকায় ওই পানি লবণ ও চিংড়ি উৎপাদনে উপযোগী নয়। একইভাবে টেকপাড়া পয়েন্টে উজানটিয়া খালের অবস্থান। এ নদীর পানির উৎস কুতুবদিয়া চ্যানেল থেকে। উজানটিয়া নদীর পানি লবণ ও মৎস্য উৎপাদনে সবচেয়ে বেশী গুরুত্ব বহন করে।

গত ৩ বছর ধরে উজানটিয়া খালের পানির উৎস বিলে থেমে গেছে। বেড়িবাঁধ সংষ্কারকাজ বাস্তবায়ন থাকায় বিল অনাবাদী থেকে যায়। সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে, টেকপাড়া পয়েন্টে একটি নাসি স্থাপন উদ্যোগ নিয়েছেন মৎস্যচাষীরা। তারা মৎস্য আহরন ও চাষ পদ্ধতি ত্বরান্বিত করতে ব্যক্তিগত উদ্যোগে নাসি বসাবেন।

দেখা গেছে,উজানটিয়া নদী থেকে পানি ভিতরে প্রবেশ করাতে এলুমিনিয়ামের তৈরী পাইপ মজুদ করেন। মৎস্যচাষী আক্তার আহমদ জানান, ৩ বছর এ বিলে লবণ ও মৎস্য চাষ নেই।আমরা বেকার হয়েছি। সংসারে অভাব অনটন দেখা দিয়েছে। সিদ্ধান্ত নিয়েছি জীবিকার জন্য বিলে চাষ ছাড়া আর বিকল্প নেই। আমরা চাষী ও জমির মালিকরা ঐক্যমত পৌছতে পেরেছি।

নদীর পানি ভিতরে ডুকাতে বেড়িবাঁধের তলদেশে বসানো হচ্ছে পাইপ। বেড়িবাঁধের তলদেশ ৪০-৪৫ ফুট হবে। তবে আমরা পাইপ দিচ্ছি প্রায় ৭০ ফুট। ভিতরে ও বাহিরে পানির আচড় নিয়ন্ত্রণ করতে পাইপের মুখে দিচ্ছি আরসিসির সেইভ ওয়াল। পানি শুধু নদী থেকে ডুকাব। বাহির হবেনা। এখানে ঝুঁকির কোন সম্ভাবনা নেই।

বেড়িবাঁধ হয়েছে আমাদের খতিয়ানি জমিতে। প্রায় ৫০ চেইন বেড়িবাঁধের জন্য আমরা জমি দিয়েছি ৩০ থেকে ৪০ একর। সরকারী কাজের জন্য জনগণ যে ভাবে উদার ও ত্যাগ স্বীকার করেছে সেখানে মাছ চাষ বন্ধ থাকা মানে অমানবিক আচরণ। চেয়ারম্যান সাহেবকে আমরা বিষয়টি অবহিত করেছি। তিনি জনগনের পক্ষে এখানে ছুটে এসেছেন।

মৎস্য চাষী আলী আকবর জানান, বেড়িবাঁধের জন্য আমরা স্থানীয়রা টাকার যোগান দিই। যতবার বেড়িবাঁধ বিলীন হয়েছে পানি আটকিয়েছি আমরা। চাষের জন্য পাইপ বসানোর কাজ করছি।

চাষী জসিম উদ্দিন জানান, কিছু মানুষ আমাদের স্বার্থের অন্তরায়। তারাও বেড়িবাঁধের তলদেশে নাসি বসিয়ে যুগ যুগ ধরে চিংড়ি চাষ করছে। মূলত ওই চক্র আমাদেরকে জিম্মী করতে উন্নয়ন ও অগ্রগতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।

আবু ছিদ্দিক, আবদু রহমান, মাওলানা শামশুসহ জমির মালিক ও চাষীরা জানান, যারা বিরোধীতা করছে তারা ঠিকই মাছ চাষে লিপ্ত রয়েছে। এক সময় জমি এরা সিন্ডিকেট করে ভোগ করেছিল। নাসি স্থাপন না করলে আমরা বেকার হয়ে যাব। চেয়ারম্যানকে অনুরোধ করেছি তড়িৎ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য।

উজানটিয়া ইউপির চেয়ারম্যান এম, শহিদুল ইসলাম চৌধুরী জানান, জনগনের ডাকে আমি এখানে ছুটে এসেছি। কোন জমি অনাবাদী
থাকা যাবেনা। বেড়িবাঁধের ক্ষতি না হওয়ার মত উন্নত প্রযুক্তির পাইপ বসিয়ে
পানির যোগান দেওয়া হবে। বিরোধীতাকারীরা ভাল মানুষ নন। তারা এ বিলের জমি নিজেরা কুক্ষিগত করতে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। আমি চেয়ারম্যান প্রয়োজনে বেড়িবাঁধ সুরক্ষিত রাখতে কর্তৃপক্ষকে সিকিউরিটি দেব। এরপরও পানির ব্যবস্থা দিতে হবে চাষীদের।

পাউবো কক্সবাজারের এরিয়া কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন জানান, এখানে পক্ষ বিপক্ষে বক্তব্য আসছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখতে হবে বাস্তব অবস্থা। এরপর করনীয় নির্ধারণ করা হবে

আপনি সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ চট্টগ্রাম টুডে কর্তৃক সর্বসত্ব সংরক্ষিত।
Theme Customized By BreakingNews
error: Content is protected !!