1. balaram.cox@gmail.com : balaram das : balaram das
  2. babuibasa@gmail.com : editor :
  3. news24nazrul@gmail.com : Nazrul Islam : Nazrul Islam
  4. rokunkutubdia@gmail.com : reporter :
  5. rokunkutubdia@yahoo.com : Rokiot Ullah : Rokiot Ullah
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:০০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মহেশখালীতে বিরল বাঁশির বাঁশের সন্ধান: চাষের ব্যাপক সম্ভবনা মহেশখালীতে বিরল বাঁশির বাঁশের সন্ধান: চাষের ব্যাপক সম্ভবনা কুতুবদিয়া মহিলা কলেজ’র শহীদ মিনার নির্মাণ কাজ শুরু পেকুয়ায় ১শ ৫০ পরিবারে বনবিভাগের চারা বিলি কুতুপালংয়ে ক্যাম্প ইনচার্জের আস্কারায় রোহিঙ্গাদের দখল পাঁয়তারা কুতুবদিয়া ওসি’র মহিলা কলেজ পরিদর্শন মাতারবাড়ীর ইউপি চেয়ারম্যানের আন্তরিকতায় অবশেষে ভাঙ্গা সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি প্রত্যাহারঃপূর্বের কমিটি বহাল মাহদী সভাপতি সুজন সম্পাদক, ধূরুং ইউনাইটেড় ক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত উখিয়ায় বিজিবির ডগ চার্লির তল্লাশীতে ৪১ হাজার ইয়াবা উদ্ধার আটক-১

বজ্রপাতে সারাদেশে ১০ মৃত্যু

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২০
  • ৬০ জন সংবাদটি পড়েছেন

নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নোয়াখালী, জয়পুরহাট, হবিগঞ্জ ও বগুড়ায় পৃথক বজ্রাঘাতে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন আরো ছয় জন। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বজ্রপাতে এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে।

নাটোর

নাটোরের গুরুদাসপুরে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে এসে বজ্রপাতে মকবুল হোসেন নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন তার শ্যালক। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে উপজেলার কচুগাড়ী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। মকবুল হোসেন একই উপজেলার বিলকাঠর গ্রামের মৃত সেকেন আলীর ছেলে এবং কচুগাড়ী গ্রামের মুন্নাফ হোসেনের মেয়ে জামাই।

গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) মোজাহারুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বৃহস্পতিবার সকালে মকবুল হোসেন শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে আসে। বিকেলে আকাশে মেঘের গর্জনের সময় তিনি ও তার শ্যালক বাড়ির বাইরে যায়। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে দুজনই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাদের চিৎকারে স্থানীয়রা দুজনকে হাসপাতালে নেয়ার পথে মকবুল হোসেন মারা যায়। পরে আহত সজিব আলীকে গুরুদাসপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন আছেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রাঘাতে পিয়ারা বেগম (৩৩) নামের গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। তিনি শিবগঞ্জ উপজেলার চরপাঁকা এলাকার হেরাস উদ্দিনের স্ত্রী। সন্ধ্যা ৬টার দিকে তার মৃত্যু হয়। শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল আলম শাহ এ তথ্য জানান।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ওসি বলেন, ‘সন্ধ্যা ৬টার দিকে হঠাৎ করে বজ্রসহ বৃষ্টিপাত শুরু হয়। এ সময় বাড়ির বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকাবস্থায় বজ্রাঘাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।’

নোয়াখালী

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার স্বর্ণদ্বীপে মাটি কাটার কাজ করার সময় দুপুরে বজ্রাঘাতে রফিক উল্যাহ (৪০) নামের এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি সুবর্ণচর উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নের মধ্য চরবাটা গ্রামের বাসিন্দা।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের এসব তথ্য জানান।

জয়পুরহাট

বজ্রপাতে জয়পুরহাট সদর উপজেলার পারুলিয়া গ্রামে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে সুকোমল (৪৫) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। সুকোমল ওই গ্রামের মৃত রাজেন্দ্রনাথের ছেলে।

জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহরিয়ার খান জানান, কৃষি কাজ সেরে বাড়ির উঠানে গোসল করতে গিয়ে বজ্রপাতে সুকোমল গুরুতর আহত হন। পরে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হবিগঞ্জ

হবিগঞ্জের বাহুবলে হাওরে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রাঘাতে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে আরো দুইজন। নিহতরা হলেন- বাহুবল উপজেলার পুঁটিজুরি ইউনিয়নের নৌয়াঐ গ্রামের দরদ মিয়ার ছেলে ওকাইদ মিয়া (১১) এবং একই উপজেলার সাতকাপন ইউনিয়নের মানিকা গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে নরছ মিয়া (১৭)।

বাহুবল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ওসি জানান, দুপুরে ওকাইদ হাওরে মাছ ধরতে গেলে বজ্রাঘাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ সময় আহত হন আরো দুই জন। তাদের বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

একই সময়ে নরছ মিয়া মানিকা হাওরে মাছ ধরতে গেলে বজ্রাঘাতে আহত হন। গুরুতর অবস্থায় তাকে বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

বগুড়া

বগুড়ার কাহালু উপজেলার এরুইল বাজার, শাজাহানপুরের হরিণ গাড়ি গ্রাম, সারিয়াকান্দির কুড়িপাড়া চর এবং ধুনটের দেওড়িয়া গ্রামে বজ্রাঘাতে চার কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। বজ্রাঘাতে কাহালুতে আহত হন তিন জন। তাদের মধ্যে একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মৃত ব্যক্তিরা হলেন- কাহালুর এরুইল গ্রামের মৃত কছিমুদ্দিনের ছেলে মোকলেছার রহমান (৫৫), শাজাহানপুরের হরিণগাড়ি গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে নুরুল ইসলাম (৪০), সারিয়াকান্দির কুড়িপাড়া চরের বুলু মণ্ডলের ছেলে লেবু মণ্ডল (৩৫) এবং ধুনটের দেওড়িয়া গ্রামের দেরাস সরকারের ছেলে আবদুস সালাম (৫৫)।

কাহালু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়া লতিফুল ইসলাম জানান, কাহালু উপজেলার মালঞ্চা ইউনিয়নের এরুইল বাজারের পাশে মাঠে ধান শুকাতে দেয়া হয়। বেলা সোয়া ৩টার দিকে হঠাৎ বজ্রসহ বৃষ্টিপাত শুরু হয়। তখন কৃষক মোকলেছার রহমান, একই গ্রামের মোহসিনের ছেলে রায়হান আলী (২৮), মৃত আহসান উল্লাহর ছেলে হাসান আলী (৩৫) ও মামুন (৩০) বস্তায় ধান তুলছিলেন। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে চার জন আহত হন। তাদের উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মোকলেছারকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতদের মধ্যে হাসান আলীকে হাসপাতালে ভর্তি এবং অন্য দুইজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

বেলা ৩টার দিকে শাজাহানপুর উপজেলার হরিণগাড়ি গ্রামের একটি মাঠে কৃষক নুরুল ইসলাম কাজ করছিলেন। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে তিনি গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে শজিমেক হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

একই সময় সারিয়াকান্দির কুড়িরপাড়া চরে বৃষ্টি শুরু হলে কৃষক লেবু মণ্ডল গরু আনতে যান। তখন বজ্রাঘাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। কাজলা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোহন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কৃপা সিন্ধু বালা জানান, বৃহস্পতিবার দিনভর বৃষ্টিতে দেওড়িয়া গ্রামে পটলের ক্ষেতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। কৃষক আবদুস সালাম ওই পানি নিষ্কাশনের জন্য বিকেল ৪টার দিকে ক্ষেতে যান। এ সময় হঠাৎ বজ্রাঘাতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।

আপনি সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ চট্টগ্রাম টুডে কর্তৃক সর্বসত্ব সংরক্ষিত।
Theme Customized By BreakingNews
error: Content is protected !!